NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন জ্বালানি নিরাপত্তার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হুমকিতে বিশ্ব : আইইএর প্রধান হরমুজে মাইন বসাতে দেখলেই গুলির নির্দেশ ট্রাম্পের নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রেকর্ড জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের চরিত্রের প্রয়োজনে পবিত্র কোরআন শিখেছিলেন ইয়ামি গৌতম দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’
Logo
logo

সব জিম্মি ফেরত পেলেই ফিলিস্তিনি বন্দি মুক্তি দেবে ইসরায়েল


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ১২:১০ পিএম

সব জিম্মি ফেরত পেলেই ফিলিস্তিনি বন্দি মুক্তি দেবে ইসরায়েল

ইসরায়েল রবিবার জানিয়েছে, গাজায় আটক সব জিম্মি নিরাপদে দেশে পৌঁছনোর নিশ্চয়তা পাওয়ার পরই ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের মুখপাত্র শোশ বেদ্রোসিয়ান সাংবাদিকদের বলেন, ‘যখনই আমরা নিশ্চিত হব, মুক্তিপ্রাপ্ত সব জিম্মি ইসরায়েলি সীমান্ত অতিক্রম করে দেশে প্রবেশ করেছে, তখনই ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হবে।’

এর আগে যুদ্ধবিরতির সময় ইসরায়েলে ফেরত আসা কয়েকজন জিম্মির মরদেহ ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়েছিল।

বেদ্রোসিয়ান জানান, শনাক্তকরণের অপেক্ষায় বন্দিদের নিয়ে যাওয়া বাসগুলো প্রস্তুত থাকবে।

 

তিনি বলেন, ‘যখনই নিশ্চিত হব জিম্মিরা ইসরায়েলি ভূখণ্ডে প্রবেশ করেছে, তখনই ওই বাসগুলো রওনা দেবে।’

তিনি আরো জানান, গাজায় দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে আটক সব জিম্মির মুক্তি প্রক্রিয়া সোমবার ভোরে শুরু হওয়ার কথা।

ইসরায়েল ও হামাস উভয়েই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত যুদ্ধসমাপ্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপ অনুমোদন করেছে, যা ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর শুরু হওয়া যুদ্ধের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।

চুক্তি অনুযায়ী, হামাসকে সোমবার দুপুরের মধ্যে বাকি ৪৭ জন জিম্মি (জীবিত ও মৃত উভয়ই) মুক্তি দিতে হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ২০১৪ সালের গাজা যুদ্ধের সময় নিহত এক ইসরায়েলি সেনার মরদেহও।

 

গত যুদ্ধবিরতির সময় নিহত জিম্মিদের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছিল ইসরায়েলের আবু কবির ফরেনসিক ইনস্টিটিউটে ময়নাতদন্তের পর।

বেদ্রোসিয়ান বলেন, ‘আমরা আশা করছি, আমাদের জীবিত ২০ জন জিম্মিকে একসঙ্গে আন্তর্জাতিক রেডক্রসের কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং তাদের ৬ থেকে ৮টি গাড়িতে করে পরিবহন করা হবে।’

এরপর জিম্মিদের ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রিত গাজার অংশে নিয়ে যাওয়া হবে, সেখান থেকে দক্ষিণ ইসরায়েলের রেইম ঘাঁটিতে নেওয়া হবে, যেখানে তারা পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলিত হবেন।

 

তাদের চিকিৎসার জন্য তিনটি প্রধান হাসপাতালে পাঠানো হবে—১০ জন শেবা মেডিকেল সেন্টারে, ৫ জন বেইলিনসন হাসপাতালে এবং ৫ জন ইচিলোভ হাসপাতালে ভর্তি হবেন।

অন্যদিকে যেসব ফিলিস্তিনি বন্দি মুক্তি পেতে যাচ্ছেন, তাদের মধ্যে ২৫০ জন নিরাপত্তা বন্দি, যাদের অনেকেই ইসরায়েলি নাগরিক হত্যার দায়ে দণ্ডিত এবং আরো প্রায় এক হাজার ৭০০ জন গাজা যুদ্ধ শুরুর পর ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দ্বারা আটক হয়েছিল।