NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, এপ্রিল ২৫, ২০২৬ | ১২ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও ইরাকের মিলিশিয়া নেতার মাথার দাম ১ কোটি ডলার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদের নামে ‘অশালীন ভিডিও’ ধারণ, যা বললেন মিম, পরীমনিরা এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন জ্বালানি নিরাপত্তার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হুমকিতে বিশ্ব : আইইএর প্রধান হরমুজে মাইন বসাতে দেখলেই গুলির নির্দেশ ট্রাম্পের নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রেকর্ড জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের
Logo
logo

মোদীর সঙ্গে একই গাড়িতে চড়তে চেয়েছেন পুতিন


খবর   প্রকাশিত:  ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:০৯ পিএম

মোদীর সঙ্গে একই গাড়িতে চড়তে চেয়েছেন পুতিন

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন চীনের তিয়ানজিনে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে একই গাড়িতে করে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের স্থানে যান।

মোদী তার এক্স (আগের টুইটার) অ্যাকাউন্টে রুশ নেতার সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, এসসিও শীর্ষ সম্মেলনের কার্যক্রম শেষে প্রেসিডেন্ট পুতিন এবং আমি আমাদের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের স্থানে একসঙ্গে ভ্রমণ করেছি। তার সঙ্গে কথোপকথন সবসময়ই গভীর অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন হয়।

 

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি সূত্রের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট পুতিন এসসিও সম্মেলন স্থল থেকে রিটজ-কার্লটন হোটেলে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে ভ্রমণ করতে চেয়েছিলেন। তিনি প্রায় ১০ মিনিট মোদীর জন্য অপেক্ষা করেছিলেন যাতে এক সঙ্গে যেতে পারেন।

সূত্রগুলো জানায়, এরপর দুই নেতা পুতিনের গাড়িতে করে একসঙ্গে যাত্রা করেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। তারা দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের স্থানে পৌঁছানোর পরেও গাড়িতে আরও ৪৫ মিনিট সময় কাটান। এর পরে দুই নেতার মধ্যে এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে পূর্ণাঙ্গ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়।

 

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে ভারত ও রাশিয়া বিশ্বের অন্যতম স্থিতিশীল সম্পর্ক বজায় রেখেছে। ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ভারত রাশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম তেল ক্রেতা হয়ে ওঠে। এসময় পশ্চিমা দেশগুলো মস্কো থেকে জ্বালানি আমদানি বন্ধ করে দেয় এবং রাশিয়ান অপরিশোধিত তেলের বাণিজ্যের ওপর মূল্যসীমা আরোপ করে।

ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক আর্থিক জটিলতার মধ্যে দুই দেশ মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা কমাতে রুপি-রুবল বাণিজ্য প্রক্রিয়াকে সহজ করার জন্য চেষ্টা করছে।