NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, এপ্রিল ২৫, ২০২৬ | ১২ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও ইরাকের মিলিশিয়া নেতার মাথার দাম ১ কোটি ডলার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদের নামে ‘অশালীন ভিডিও’ ধারণ, যা বললেন মিম, পরীমনিরা এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন জ্বালানি নিরাপত্তার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হুমকিতে বিশ্ব : আইইএর প্রধান হরমুজে মাইন বসাতে দেখলেই গুলির নির্দেশ ট্রাম্পের নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রেকর্ড জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের
Logo
logo

৮১ আফগান নাগরিককে প্রত্যাবাসন করলো জার্মানি


খবর   প্রকাশিত:  ১৯ জুলাই, ২০২৫, ১০:০৭ এএম

৮১ আফগান নাগরিককে প্রত্যাবাসন করলো জার্মানি

৮১ জন আফগান নাগরিককে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে জার্মানি। ২০২১ সালে তালেবান আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর এটি দ্বিতীয়বারের মতো প্রত্যাবাসন এবং নতুন চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ-এর অধীনে প্রথমবারের মতো এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো। মার্জ তার সরকারের কঠোর অভিবাসন নীতি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

ফেরত পাঠানো সব আফগান নাগরিকের আশ্রয় আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল এবং তারা জার্মান বিচার বিভাগের নজরে এসেছিলেন। কাতারের সহায়তায় এবং কয়েক সপ্তাহের কূটনৈতিক আলোচনার পর এই প্রত্যাবাসন সম্পন্ন হয়।

 

চ্যান্সেলর মার্জ নিশ্চিত করেন যে আফগান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে, তবে এর বিস্তারিত জানাতে তিনি অস্বীকৃতি জানান।

এর আগে সাবেক চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎস-এর সরকার ১০ মাস আগে আফগানিস্তানে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু করেছিল। শলৎস তখন আশ্রয়প্রার্থীদের দ্রুত ফেরত পাঠানোর অঙ্গীকার করেছিলেন।

 

যদিও জার্মানি তালেবান-শাসিত আফগান সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়নি, তবুও দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেনি।

জার্মানির অভ্যন্তরীণ মন্ত্রণালয় ইঙ্গিত দিয়েছে যে ভবিষ্যতেও আরও আফগান নাগরিককে ফেরত পাঠানো হবে, যদিও নির্দিষ্ট সময়সূচি জানানো হয়নি।

চ্যান্সেলর মার্জের অধীনে সরকার সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো, আগের সরকারের শুরু করা সীমান্ত তল্লাশি সম্প্রসারণ ও কিছু শ্রেণির আশ্রয়প্রার্থীদের প্রবেশ নিষেধাজ্ঞাসহ বিভিন্ন কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। পরিবার পুনর্মিলন কর্মসূচিও অনেক ক্ষেত্রেই স্থগিত রাখা হয়েছে।