NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন জ্বালানি নিরাপত্তার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হুমকিতে বিশ্ব : আইইএর প্রধান হরমুজে মাইন বসাতে দেখলেই গুলির নির্দেশ ট্রাম্পের নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রেকর্ড জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের চরিত্রের প্রয়োজনে পবিত্র কোরআন শিখেছিলেন ইয়ামি গৌতম দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’
Logo
logo

সিঙ্গাপুরে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের বিরুদ্ধে মামলা


খবর   প্রকাশিত:  ০৪ জুলাই, ২০২৫, ১০:০৭ এএম

সিঙ্গাপুরে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের বিরুদ্ধে মামলা

মালয়েশিয়ার সার্বভৌম সম্পদ তহবিল ১এমডিবি থেকে অর্থ উদ্ধার করতে নিযুক্ত লিকুইডেটররা সিঙ্গাপুরে চার্টার্ড ব্যাংকের বিরুদ্ধে ২.৭ বিলিয়ন ডলারের একটি মামলা দায়ের করেছে। তাদের অভিযোগ এক দশকেরও বেশি আগে সংঘটিত একটি জালিয়াতিতে সহায়তা করেছে ব্যাংকটি, যার ফলে তহবিলটি বিপুল আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়।

২০০৯ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে ১এমডিবি থেকে প্রায় ৪.৫ বিলিয়ন ডলার চুরি হয় একটি জটিল আন্তর্জাতিক স্কিমের মাধ্যমে।

 

এই মামলার খবরে মঙ্গলবার লন্ডনে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের শেয়ারের দাম ২.৭ শতাংশ কমে যায়।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০০৯ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে ব্যাংকটি ১০০টিরও বেশি আন্তঃব্যাংক লেনদেন অনুমোদন করে, যা চুরি হওয়া অর্থের গোপন প্রবাহ নিশ্চিত করে। ব্যাংকটি এইসব লেনদেনে সুস্পষ্ট সতর্ক সংকেত থাকা সত্ত্বেও সেগুলো উপেক্ষা করে এবং এটি ছিল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মারাত্মক ব্যর্থতা।

 

লিকুইডেটরদের মতে, এই অর্থপ্রবাহে সাবেক মালয়েশিয়ান প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে অর্থ স্থানান্তরসহ তার স্ত্রী ও সৎ ছেলের জন্য গহনা এবং বিলাসবহুল পণ্যের কেনাকাটাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বলেছে, তারা এখনো মামলার নথি হাতে পায়নি। তবে তারা স্পষ্টভাবে জানিয়েছে এই দাবি ভিত্তিহীন এবং ব্যাংকটি মামলাটির ব্যাপারে পদক্ষেপ নেবে।

ব্যাংকটির দাবি, লিকুইডেটররা আগেই বলেছিল যে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো ছিল শেল কোম্পানি এবং এগুলোর সঙ্গে জো লো যুক্ত ছিলেন যাকে ১এমডিবি কেলেঙ্কারির মূল হোতা বলে মনে করা হয়। জো লো তার বিরুদ্ধে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

 

নাজিব রাজাক ১এমডিবি কেলেঙ্কারিতে দোষী প্রমাণিত হয়ে ছয় বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন। তবে তিনি ও তার পরিবারও বরাবরই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।