NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন জ্বালানি নিরাপত্তার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হুমকিতে বিশ্ব : আইইএর প্রধান হরমুজে মাইন বসাতে দেখলেই গুলির নির্দেশ ট্রাম্পের নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রেকর্ড জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের চরিত্রের প্রয়োজনে পবিত্র কোরআন শিখেছিলেন ইয়ামি গৌতম দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’
Logo
logo

ইরানের সন্দেহ ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি মানবে না, জবাব দিতে প্রস্তুত


খবর   প্রকাশিত:  ০১ জুলাই, ২০২৫, ১০:০৭ এএম

ইরানের সন্দেহ ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি মানবে না, জবাব দিতে প্রস্তুত

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আব্দোররহিম মুসাভি বলেছেন, ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি মানবে এ ব্যাপারে ইরান গভীরভাবে সন্দিহান এবং আগ্রাসন পুনরায় শুরু হলে তারা ‘চূড়ান্ত জবাব’ দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমানের সঙ্গে এক ফোনালাপে তিনি এই মন্তব্য করেন। ফোনালাপের সময় তারা ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ১২ দিনের যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা করেন।

মেজর জেনারেল মুসাভি বলেন, যদি ইসরায়েল আবার আগ্রাসন চালায়, ইরান পুরোপুরি প্রস্তুত আছে কঠোর জবাব দেওয়ার জন্য।

তিনি আরও বলেন, আগ্রাসন এমন এক সময়ে হয়েছে, যখন ইরান আত্মসংযম দেখিয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরোক্ষভাবে আলোচনা চালাচ্ছিল।

 

তিনি বলেন, এই দুই শত্রু রাষ্ট্র (ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র) আন্তর্জাতিক কোনো নিয়ম-কানুন মানে না—এটা পুরো বিশ্বের কাছে প্রমাণ হয়ে গেছে ১২ দিনের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের মাধ্যমে।

মুসাভি বলেন, আমরা যুদ্ধ শুরু করিনি। কিন্তু যখন আমাদের ওপর আঘাত এসেছে, আমরা জবাব দিয়েছি পূর্ণ শক্তি নিয়ে। যেহেতু আমরা যুদ্ধবিরতিসহ অন্যান্য অঙ্গীকারে শত্রুর আন্তরিকতা নিয়ে সন্দিহান, তাই আগ্রাসন পুনরাবৃত্তি হলে আমাদের প্রতিক্রিয়া হবে কঠিন ও দ্রুত।

সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান বলেন, সৌদি আরব কেবল যুদ্ধের নিন্দাই করেনি, বরং যুদ্ধ থামাতে সক্রিয় উদ্যোগও নিয়েছে।

 

তিনি ইসরায়েলি হামলায় নিহত ইরানের জ্যেষ্ঠ কমান্ডারদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন।

উভয় পক্ষই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারস্পরিক পরামর্শ ও সহযোগিতার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তারা একমত হন যে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইরান ও সৌদি আরবের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র: ইরনা নিউজ