NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, এপ্রিল ২৫, ২০২৬ | ১২ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও ইরাকের মিলিশিয়া নেতার মাথার দাম ১ কোটি ডলার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদের নামে ‘অশালীন ভিডিও’ ধারণ, যা বললেন মিম, পরীমনিরা এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন জ্বালানি নিরাপত্তার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হুমকিতে বিশ্ব : আইইএর প্রধান হরমুজে মাইন বসাতে দেখলেই গুলির নির্দেশ ট্রাম্পের নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রেকর্ড জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের
Logo
logo

লিবিয়ায় মিলিশিয়া নিয়ন্ত্রিত এলাকায় গণহত্যার ইঙ্গিত, তদন্ত চায় জাতিসংঘ


খবর   প্রকাশিত:  ০৫ জুন, ২০২৫, ১০:০৬ এএম

লিবিয়ায় মিলিশিয়া নিয়ন্ত্রিত এলাকায় গণহত্যার ইঙ্গিত, তদন্ত চায় জাতিসংঘ

লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলিতে সশস্ত্র মিলিশিয়া নিয়ন্ত্রিত একটি এলাকা থেকে কয়েক ডজন মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর। নিহতদের মধ্যে কিছু মরদেহ আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিল, কিছু ছিল হাসপাতালের সংরক্ষিত ফ্রিজে, আর কিছু মাটিচাপা অবস্থায় পাওয়া গেছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক এক বিবৃতিতে বলেন, ত্রিপোলির বিভিন্ন আটককেন্দ্রে ‘স্ট্যাবিলাইজেশন সাপোর্ট অথোরিটি (এসএসএ)’ নামে একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এই গোষ্ঠীর কমান্ডার আবদেল-গানি আল-কিকলি গত মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে মিলিশিয়াদের মধ্যে সংঘর্ষে নিহত হন।

 

জাতিসংঘ দপ্তর জানায়, পরে তাদের কাছে তথ্য আসে, ত্রিপোলির আবু সলিম এলাকায় এসএসএর প্রধান কার্যালয় থেকে ১০টি আগুনে পুড়ে যাওয়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া আবু সলিম এবং আল খাদরা হাসপাতালের ফ্রিজ থেকে আরও ৬৭ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ত্রিপোলি চিড়িয়াখানায় একটি গোপন কবরস্থানেরও খবর পেয়েছে জাতিসংঘ, যা এসএসএর নিয়ন্ত্রণে ছিল বলে অভিযোগ।

 

তবে উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ভলকার তুর্ক বলেন, আমাদের দীর্ঘদিনের আশঙ্কাই এখন সত্য প্রমাণিত হচ্ছে—এসব স্থানে ডজনখানেক মরদেহ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া সন্দেহভাজন নির্যাতনের যন্ত্র, মানবাধিকার লঙ্ঘনের আলামত এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সম্ভাব্য প্রমাণ মিলেছে।

তিনি আরও বলেন, প্রমাণ সংরক্ষণের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলো সিলগালা করা জরুরি। এই হত্যাকাণ্ডের দায় নিরূপণে এবং বিচার নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

 

 

 

জাতিসংঘ এই এলাকায় সরাসরি প্রবেশাধিকার চেয়ে বলেছে, তারা ঘটনাস্থল ঘুরে দেখতে চায় এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের তথ্য নথিভুক্ত করতে চায়।