NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০২৬ | ১২ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও ইরাকের মিলিশিয়া নেতার মাথার দাম ১ কোটি ডলার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদের নামে ‘অশালীন ভিডিও’ ধারণ, যা বললেন মিম, পরীমনিরা এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন জ্বালানি নিরাপত্তার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হুমকিতে বিশ্ব : আইইএর প্রধান হরমুজে মাইন বসাতে দেখলেই গুলির নির্দেশ ট্রাম্পের নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রেকর্ড জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের
Logo
logo

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নিপ্পন ফাউন্ডেশন প্রধানের সমর্থন কামনা


খবর   প্রকাশিত:  ২৯ মে, ২০২৫, ১০:০৫ এএম

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নিপ্পন ফাউন্ডেশন প্রধানের সমর্থন কামনা

রোহিঙ্গা সংকট সমাধান ও বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে তাদের নিজ দেশে ফেরাতে নিপ্পন ফাউন্ডেশনের প্রধান ইয়োহেই সাসাকাওয়ার সমর্থন চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

বুধবার (২৮ মে) জাপানের রাজধানী টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে প্রধান উপদেষ্টার সম্মানে এক নৈশভোজের আয়োজন করেন নিপ্পন ফাউন্ডেশন প্রধান। সেখানে তার সমর্থন কামনা করেন প্রধান উপদেষ্টা।

 

দুই নেতা রোহিঙ্গা সংকট, মিয়ানমারের বর্তমান পরিস্থিতি এবং সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বৈশ্বিকভাবে মানবিক সংকটগুলোর জন্য সহায়তা ও অনুদান কমে যাওয়া নিয়ে আলোচনা করেন।

অধ্যাপক ইউনূস সহিংসতাপ্রবণ মিয়ানমারে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে ইয়োহেই সাসাকাওয়ার প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন। সেখানে সামরিক বাহিনী বিভিন্ন আঞ্চলিক বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছে।

 

নিপ্পন ফাউন্ডেশন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রধান হিসেবে ইয়োহেই সাসাকাওয়া ১৫০ বারেরও বেশি মিয়ানমার সফর করেছেন এবং মিয়ানমার সরকার ও শতাধিক জাতিগোষ্ঠীর কাছে অত্যন্ত শ্রদ্ধার পাত্র।

অধ্যাপক ইউনূস রোহিঙ্গা সংকট সমাধান ও বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে তাদের নিজ দেশে ফেরাতে সাসাকাওয়ার সমর্থন কামনা করেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা জানি, মিয়ানমারের সব পক্ষের কাছেই আপনি গভীরভাবে সম্মানিত।

 

 

 

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, প্রতি বছর বাংলাদেশে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে প্রায় ৩৫ হাজার শিশুর জন্ম হচ্ছে, আর তারা কোনো আশার আলো ছাড়াই বড় হচ্ছে।