NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০২৬ | ১২ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও ইরাকের মিলিশিয়া নেতার মাথার দাম ১ কোটি ডলার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদের নামে ‘অশালীন ভিডিও’ ধারণ, যা বললেন মিম, পরীমনিরা এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন জ্বালানি নিরাপত্তার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হুমকিতে বিশ্ব : আইইএর প্রধান হরমুজে মাইন বসাতে দেখলেই গুলির নির্দেশ ট্রাম্পের নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রেকর্ড জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের
Logo
logo

ভারতের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক পোস্ট ধ্বংসের দাবি পাকিস্তানের


খবর   প্রকাশিত:  ০৯ মে, ২০২৫, ১১:০৫ এএম

ভারতের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক পোস্ট ধ্বংসের দাবি পাকিস্তানের

হাজি পির সেক্টরে ভারতীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিশোধমূলক অভিযান পরিচালনা করেছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। সেখানে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ঝান্ডা জিয়ারত পোস্ট ধ্বংসের দাবি করেছে পাকিস্তান।

মূলত ভারতের হামলার পর পাকিস্তানও পাল্টা হামলা শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার (৮ মে) রাতে ভারতের বেশ কিছু স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। এ ঘটনার পরে লাইন অব কন্ট্রোলেও গুলি চালিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে এনডিটিভির এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 

বলা হয়েছে, শুক্রবার (৯ মে) সকালের দিকে কুপওয়ারা এবং উরিসহ নিয়ন্ত্রণরেখাজুড়ে পাকিস্তানি সেনারা আবারও গুলিবর্ষণ শুরু করেছে। তবে ভারত এর যথাযথ জবাব দিয়েছে।

এর আগে ভারত-শাসিত কাশ্মীরের উধমপুর এবং পাঞ্জাবের পাঠানকোটের তিনটি সামরিক স্থাপনায় পাকিস্তান ক্ষেপণাস্ত্র আর ড্রোন দিয়ে হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে ভারতের সেনাবাহিনী।

 

তবে ভারতের এই অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ বলেছেন, ভারত-শাসিত কাশ্মীরে কোনো হামলার দায় তার দেশের নয়।

এদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিও। এ সময় তিনি রুবিওকে জানিয়েছেন আত্মরক্ষায় পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার পাকিস্তানের আছে।

তিনি বলেছেন, ভারতের হামলা পাকিস্তানের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘন করেছে। একই সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে মারাত্মকভাবে বিপন্ন করেছে।