NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০২৬ | ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র থেকে বই কিনলেন জাইমা রহমান এমপির গাড়িতে হামলায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের ওয়াশিংটনে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা ট্রাম্পের সাংবাদিকদের সঙ্গে নৈশভোজের সময় বন্দুকধারীর হানা, সরিয়ে নেওয়া হলো ট্রাম্পকে ১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় পূজা চেরীর বাবা কারাগারে মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও
Logo
logo

ইউএসএআইডিকে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় কেলেঙ্কারি বললেন মোদীর উপদেষ্টা


খবর   প্রকাশিত:  ০২ মার্চ, ২০২৫, ০৮:৫০ পিএম

ইউএসএআইডিকে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় কেলেঙ্কারি বললেন মোদীর উপদেষ্টা

যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সাহায্য সংস্থা ইউএসএআইডিকে মানব ইতিহাসের সবচেয়ে বড় কেলেঙ্কারি বলে আখ্যা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা সঞ্জীব সান্যাল। তিনি আরও বলেছেন, আমি জানতে আগ্রহী যে ভারত, বাংলাদেশ ও নেপালে ইউএসএআইডির এই অর্থ কারা পেয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি ভারত-বাংলাদেশসহ বিশ্বের বেশ কিছু দেশে বড় ধরনের অর্থ সহায়তা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ধনকুবের ইলন মাস্কের নেতৃত্বাধীন দেশটির ‘ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিশিয়েন্সি’ (ডিওজিই) সম্প্রতি ভারতকে ২১ মিলিয়ন ডলারের আর্থিক সহায়তা বন্ধ করার কথা জানায়।

 

ডিওজিই’র দাবি, বিভিন্ন দেশে নির্বাচনী ব্যবস্থা এবং‌ রাজনৈতিক কাঠামোর উন্নতিতে মোট ৪৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার ব্যয় করতো যুক্তরাষ্ট্র। বলা হচ্ছে, এই সহায়তা পাঠানো হতো ভারতের নির্বাচনে ভোটারদের ভোটদানে উৎসাহিত করতে। আর এই অনুদান বন্ধের পরই ইউএসএআইডিকে সবচেয়ে বড় কেলেঙ্কারি বলে আখ্যায়িত করেন সঞ্জীব সান্যাল।

এদিকে, অনুদান বন্ধের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে গেছে ভারতের রাজনীতিতে। বিরোধীদের একাংশের দাবি, এতেই তো প্রমাণিত হয়ে যায় যে নির্বাচনে বিদেশি হস্তক্ষেপ থাকতো।

 

অন্যদিকে, বিজেপির দাবি- ইউএসএআইডির অর্থ সহায়তায় আর যাই হোক, শাসকদলের উপকার হওয়ার কথা নয়। এমনকি, এ প্রসঙ্গেও মার্কিন ধনকুবের জর্জ সোরোসের সঙ্গে কংগ্রেস তথা গান্ধী পরিবারের যোগাযোগ নিয়ে কটাক্ষ করেছে মোদীর দল।

 

প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্প দায়িত্ব নেওয়ার পরই ইউএসএইডের কার্যক্রম নিয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে ডিওজিই। তারা বলছে, বাইডেন প্রশাসনের সময়ে সংস্থাটির অর্থায়ন স্বচ্ছতার অভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি