NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, এপ্রিল ২৭, ২০২৬ | ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র থেকে বই কিনলেন জাইমা রহমান এমপির গাড়িতে হামলায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের ওয়াশিংটনে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা ট্রাম্পের সাংবাদিকদের সঙ্গে নৈশভোজের সময় বন্দুকধারীর হানা, সরিয়ে নেওয়া হলো ট্রাম্পকে ১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় পূজা চেরীর বাবা কারাগারে মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও
Logo
logo

আটকে পড়া ৭৯৬৪ বাংলাদেশি কর্মীকে নিতে রাজি মালয়েশিয়া


খবর   প্রকাশিত:  ২৮ জানুয়ারী, ২০২৫, ০৪:০১ এএম

আটকে পড়া ৭৯৬৪ বাংলাদেশি কর্মীকে নিতে রাজি মালয়েশিয়া

গত বছর ৩১ মের মধ্যে মালয়েশিয়া যাওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের প্রায় ১৮ হাজার কর্মীর। নানা জটিলতায় মালয়েশিয়া যেতে পারেননি তারা। তাদের মধ্যে প্রথম ধাপে দেশটিতে প্রবেশের জন্য সাত হাজার ৯৬৪ জনকে যোগ্য হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

আজ সোমবার ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ও জনকূটনীতি অনুবিভাগের মহাপরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।

 

তিনি জানান, মালয়েশিয়া সরকার কুয়ালালামপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনকে সাত হাজার ৯৬৪ জনকে দেশটিতে যাওয়ার যোগ্য হিসেবে নির্বাচিত করার তথ্য জানিয়েছে। আর বাদ পড়া বাকি ১০ হাজার কর্মীর বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।


 

মুখপাত্র বলেন, ১৮ হাজার কর্মীর মালয়েশিয়া যাওয়া নিয়ে জটিলতা তৈরি হওয়ার বিষয়টি গত বছরের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ হাইকমিশনার মো. শামীম আহসান দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন ইসমাইলকে জানান। সাইফুদ্দিন পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশের কর্মীদের নেওয়ার জন্য যাচাই-বাছাই করতে হাইকমিশন ও মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের সমন্বয়ে একটি কারিগরি কমিটি গঠনের পরামর্শ দেন।

এই কমিটি গত এক মাসে দুটি বৈঠকে বসে। মালয়েশিয়ার সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার পর কমিটি ১৮ হাজার কর্মীর মধ্যে ৭ হাজার ৯৬৪ জনকে প্রথম ধাপে দেশটিতে যাওয়ার জন্য বাছাই করে।

 

দীর্ঘদিন বন্ধের পর ২০২২ সালের আগস্টে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের পথ উন্মুক্ত হয়। ২০২৪ সালের ৩১ মে পর্যন্ত ১০১টি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে পৌনে পাঁচ লাখ কর্মী দেশটিতে পাড়ি দেন।

তবে টিকিট জটিলতায় যেতে পারেননি প্রায় ১৮ হাজারেরও বেশি শ্রমিক।