NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, এপ্রিল ২৭, ২০২৬ | ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র থেকে বই কিনলেন জাইমা রহমান এমপির গাড়িতে হামলায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের ওয়াশিংটনে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা ট্রাম্পের সাংবাদিকদের সঙ্গে নৈশভোজের সময় বন্দুকধারীর হানা, সরিয়ে নেওয়া হলো ট্রাম্পকে ১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় পূজা চেরীর বাবা কারাগারে মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও
Logo
logo

দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাছে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন


খবর   প্রকাশিত:  ০৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫, ১১:১০ এএম

দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাছে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনের অফিস চানক্যপুরীতে। এখানেই একের পর এক বিদেশি দূতাবাস রয়েছে। সেই চানক্যপুরীতেই বিক্ষোভ দেখালেন হাজার দেড়েক মানুষ।

চানক্যপুরী থানার কাছে ইন্দোনেশিয়ার দূতাবাস, তার কাছে একটা রাস্তা আটকে বিক্ষোভ করার অনুমতি দিয়েছিল পুলিশ। সেখান থেকে বাংলাদেশ হাইকমিশন কিছুটা দূরে।

 

মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে বিক্ষোভ-মিছিল শুরু হয়। অল্প কিছুটা পথ পাড়ি দিয়ে সেই মিছিল শেষ হয় চানক্যপুরী থানার কাছের রাস্তার ওপর। সেখানেই তৈরি করা হয়েছিল মঞ্চ। সেই মঞ্চের সামনে এসে থামে মিছিল। যদিও আয়োজকরা কোনো সংগঠনের নাম দেননি, তবে মঞ্চ থেকে ওঠা স্লোগান, বক্তাদের পরিচয় থেকে বোঝা যাচ্ছিল, এই সংগঠনগুলোর অধিকাংশই সংঘ পরিবার ও বিজেপি-র সঙ্গে যুক্ত বা তাদের অনুসারী সংগঠন।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া অনেকের হাতেই ছিল একটা করে প্ল্যাকার্ড। তাতে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সহিংসতার অভিযোগের প্রতিবাদে নানা ধরনের স্লোগান লেখা ছিল। মূলত তিনটি ভাষায় স্লোগান লেখা হয়েছে- ইংরেজি, হিন্দি ও বাংলা।

 

তবে বিক্ষোভ থেকে যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেদিকে নজর রেখেছিল প্রশাসন। মোতায়েন করা হয়েছিল দুই ধরনের পুলিশ। দিল্লি পুলিশের পাশাপাশি দাঙ্গারোধী পুলিশ সদস্যদেরও দেখা গেছে সেখানে।

 

তবে বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণই ছিল। সংগঠকরা যে সময় দিয়েছিলেন, ঘড়ি ধরে প্রায় সেই সময়ের মধ্যেই শেষ করা হয়েছে বিক্ষোভ। দেড় ঘণ্টার মধ্যে মিছিল ও ভাষণ শেষ হয়ে যায়। তারপর সকলকে শান্তিপূর্ণভাবে চলে যেতে বলা হয়। বাসে চড়ে এসেছিলেন অনেক বিক্ষোভকারী, তারাও বিক্ষোভশেষে আর অপেক্ষা করেননি।

সূত্র: ডয়েচে ভেলে, ইন্ডিয়া টুডে