NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মে ৯, ২০২৬ | ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
মাদকদ্রব্য পাচার রোধে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর রাজধানীর কদমতলীতে ফোম কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে সার্ভিসের ৫ ইউনিট নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটি ইনকের যৌথ সভা অনুষ্ঠিত খালেদা জিয়া স্মৃতি স্বর্ণপদক পাচ্ছেন মির্জা ফখরুল-তামিম-ফাতেমারা জাতিসংঘ ফোরামে নিরাপদ অভিবাসনে জোরালো বৈশ্বিক সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ Bangladesh calls for stronger global cooperation on safe migration at UN forum হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকা স্বচ্ছতার সঙ্গে তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল আজহা উপলক্ষে একটি সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল ইরাকের ৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এসআইআর বিতর্কে জল ঢেলে দিল পরিসংখ্যান
Logo
logo

দেড় শ কোটি টাকার সম্পদের মালিক মুহিবপত্নী রেখা


খবর   প্রকাশিত:  ১৯ নভেম্বর, ২০২৪, ১০:৫৪ এএম

দেড় শ কোটি টাকার সম্পদের মালিক মুহিবপত্নী রেখা

পটুয়াখালী-৪ আসনের  সাবেক সংসদ সদস্য এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী মহিবুর রহমান মুহিবের স্ত্রী ফাতেমা আক্তার রেখার নামে রয়েছে অন্তত ৩৭ একর জমি। এই জমিগুলো মূলত পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটা ও পায়রা বন্দরের আশপাশের এলাকায় অবস্থিত। জমিগুলোর বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় দেড়শ কোটি টাকা।

জানা যায়, ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে মহিবুর রহমান মুহিব এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই ফাতেমা আক্তার রেখার জমি কেনার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

২০১৯ সালের ২১ নভেম্বর, তাপস সাহা গংয়ের কাছ থেকে ৮ একর জমি কেনেন। এই জমি ইটবাড়িয়া মৌজায় অবস্থিত, যার দলিল নং ৪৫১২। ২০২৪ সালে, ধুলাসার মৌজায় আলমগীর হোসেন হাওলাদারের কাছ থেকে কেনেন ৫.২৬ একর জমি। ২০২২ সালের ২৬ ডিসেম্বর, বৌলতলী মৌজায় ০.৬১ একর জমি কেনেন রিয়াজুল ইসলাম মিলন তালুকদারের কাছ থেকে।
কাউয়ারচর মৌজায় ২০১৭ সালের ৩১ আগস্ট আব্দুস সত্তার গংয়ের কাছ থেকে ১.৫ একর জমি এবং একই দিনে ১.৩৪ একর জমি কেনেন। এছাড়া ২০১৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর দাদন মিয়ার কাছ থেকে মাত্র ২২ লাখ ৪৫ হাজার টাকায় ১.১২ একর জমি কেনার দলিল করেন।

 

এমন আরও বিভিন্ন সময়ের দলিল থেকে দেখা গেছে, কুয়াকাটা ও পায়রা বন্দর এলাকার মূল্যবান জমি কিনতে রেখা অব্যাহতভাবে সক্রিয় ছিলেন।

স্থানীয় এক সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, স্কুল-কলেজের চাকরি বাণিজ্য, টেন্ডার বাণিজ্য, এবং টিআর-কাবিখা প্রকল্পের অর্থ লুটপাট করেই এই সম্পদ গড়ে তুলেছেন ফাতেমা আক্তার।

 

ফাতেমা আক্তার রেখা আলহাজ জালাল উদ্দিন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ। তার মাসিক বেতন মাত্র ৩৮ হাজার টাকা। এমন সীমিত আয়ের মধ্যে দেড়শ’ কোটি টাকার সম্পদের মালিক হওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অভিযোগ উঠলে ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর ঢাকার একটি নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এক হলফনামায় ফাতেমা আক্তার উল্লেখ করেন যে, হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছ থেকে কেনা ৮ একর জমির বিষয়ে তিনি অবগত নন। হলফনামায় দাবি করেন, তার নাম ব্যবহার করে জমি কেনার রেজিস্ট্রিকৃত দলিল তিনি কিংবা তার নিকটজনেরা সম্পন্ন করেননি।

 

ফাতেমা আক্তার রেখার এই বিপুল সম্পদের উৎস নিয়ে ইতোমধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। যদি জমি কেনা নিয়ে তার দাবিগুলো সত্য হয়, তাহলে এর সুষ্ঠু তদন্ত প্রয়োজন। অন্যদিকে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে এ ধরনের অপকর্ম বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।