NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০২৬ | ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র থেকে বই কিনলেন জাইমা রহমান এমপির গাড়িতে হামলায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের ওয়াশিংটনে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা ট্রাম্পের সাংবাদিকদের সঙ্গে নৈশভোজের সময় বন্দুকধারীর হানা, সরিয়ে নেওয়া হলো ট্রাম্পকে ১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় পূজা চেরীর বাবা কারাগারে মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও
Logo
logo

ইসরায়েলি হামলায় স্ত্রী-সন্তানসহ হামাসের কমান্ডার নিহত


খবর   প্রকাশিত:  ০৬ অক্টোবর, ২০২৪, ১২:৩৫ এএম

ইসরায়েলি হামলায় স্ত্রী-সন্তানসহ হামাসের কমান্ডার নিহত

ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় শনিবার লেবাননের উত্তরাঞ্চলের একটি শরণার্থী শিবিরে তাদের এক কমান্ডার নিহত হয়েছেন। গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম ওই এলাকায় হামলা হলো।

হামাস বলেছে, ‘কমান্ডার’ সাঈদ আতাল্লাহ আলী, তার স্ত্রী ও দুই মেয়ে ইসরায়েলি বোমা হামলায় নিহত হয়েছে। বেদ্দাওই শিবিরে তার বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছিল, যা ত্রিপোলির নিকটে অবস্থিত।

 

গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েল লেবাননে হামাসের সদস্যদের লক্ষ্য করে বারবার হামলা চালিয়েছে। হামাস জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত লেবাননে তাদের অন্তত ১৮ জন যোদ্ধা নিহত হয়েছেন।

 

এর আগে সোমবার এক বিমান হামলায় ফাতাহ শারিফ আবু আল-আমিন নামের লেবাননভিত্তিক এক হামাস নেতাকে দক্ষিণ লেবাননের আল-বাস শিবিরে তার বাড়িতে হত্যা করা হয়েছে বলে জানানো হয়। এ ছাড়া আগস্ট মাসে দক্ষিণ লেবাননের সাইদন শহরে ইসরায়েলি হামলায় হামাসের কমান্ডার সামের আল-হাজ নিহত হন।

 

তার আগে এ বছরের জানুয়ারিতে এক মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, ইসরায়েলের চালানো হামলায় হিজবুল্লাহর দক্ষিণ বৈরুত ঘাঁটিতে হামাসের ডেপুটি নেতা সালেহ আল-আরৌরি ও আরো ছয়জন যোদ্ধা নিহত হয়েছেন।

১৯৪৮ সালের যুদ্ধে ইসরায়েলের সৃষ্টির সময় যারা দেশছাড়া হয়েছিল বা পালিয়ে গিয়েছিল তাদের জন্য লেবাননে ১২টি ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবির তৈরি হয়েছিল। দীর্ঘদিনের একটি চুক্তির কারণে লেবাননের সেনাবাহিনী এই শিবিরগুলোতে প্রবেশ করে না এবং ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীগুলোকেই নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করতে দেয়।