NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, এপ্রিল ২৯, ২০২৬ | ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
সচিবালয়ে দর্শনার্থীদের প্রবেশে নতুন নিয়ম ব্রিটেনে বাংলাদেশিদের ২৫ কোটি পাউন্ডের বেশি সম্পদ জব্দ হয়েছে : সারাহ কুক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পর্কে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের অডিও ফাঁস হোয়াইট হাউসে ব্রিটিশ রাজদম্পতি, চলছে জমকালো আয়োজন ১৫ বছরেই আইপিএলে রেকর্ডের পাহাড় গড়ছেন সূর্যবংশী ‘মিসেস ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইন্টারন্যাশনাল’ চ্যাম্পিয়ন হলেন বাংলাদেশের তমা নারীদের স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত শিক্ষা বিনা মূল্যে করা হবে : প্রধানমন্ত্রী ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর স্বার্থরক্ষায় সম্ভাব্য সব কিছু করব : পুতিন যুদ্ধে অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসবেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বিজিএমইএর গলফ টুর্নামেন্টের পৃষ্ঠপোষকতায় ‘দৌড়’
Logo
logo

সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তালেবান রাশিয়ার মিত্র : পুতিন


খবর   প্রকাশিত:  ০৬ জুলাই, ২০২৪, ০৯:৫০ এএম

সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তালেবান রাশিয়ার মিত্র : পুতিন

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বৃহস্পতিবার বলেছেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তালেবান মস্কোর ‘মিত্র’। কারণ গোষ্ঠীটি আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

কাজাখস্তানের রাজধানী আস্তানায় এদিন পুতিন বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই ধরে নিতে হবে, তালেবান দেশের ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে। এই অর্থে তালেবান অবশ্যই সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমাদের মিত্র।

কারণ যেকোনো কর্তৃপক্ষই তাদের শাসিত রাজ্যে স্থিতিশীলতা রাখতে আগ্রহী।’

 

২০০৩ সাল থেকে রাশিয়ায় নিষিদ্ধ সংগঠন হওয়া সত্ত্বেও মস্কো বছরের পর বছর ধরে তালেবানের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছ। পুতিন গত মাসে তালেবান সরকারের সঙ্গে মস্কোর ‘সম্পর্ক গড়ে তুলতে’ আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত তালেবান সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিতে পারেনি মস্কো।

 


 

তালেবান বছরের পর বছর ধরে আফগানিস্তানে জিহাদি প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামিক স্টেট খোরাসানের (আইএস-কে) বিরুদ্ধে লড়াই করে আসছে। মার্চ মাসে আইএস-কের যোদ্ধারা মস্কোর একটি কনসার্ট হলে আক্রমণ চালালে ১৪০ জনেরও বেশি নিহত হয়। এটি ছিল রাশিয়ায় প্রায় দুই দশকের মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক সন্ত্রাসী হামলা। অন্যদিকে ২০২১ সালে আফগানিস্তানের দখল নেওয়ার পর থেকে তালেবান ইসলামিক আইনের চরম রূপ প্রয়োগ করেছে, যা কার্যকরভাবে নারীদের জনজীবন থেকে নিষিদ্ধ করে।

 

 

পুতিন আরো বলেছেন, তালেবান ‘কিছু দায়িত্ব গ্রহণ করেছে’। তবে এখনো ‘এমন সমস্যা রয়েছে, যেগুলোতে দেশের অভ্যন্তরে ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ক্রমাগত মনোযোগ প্রয়োজন। আমি নিশ্চিত, তালেবান আফগানিস্তানে সব কিছু স্থিতিশীল রাখতে আগ্রহী।’