NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন জ্বালানি নিরাপত্তার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হুমকিতে বিশ্ব : আইইএর প্রধান হরমুজে মাইন বসাতে দেখলেই গুলির নির্দেশ ট্রাম্পের নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রেকর্ড জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের চরিত্রের প্রয়োজনে পবিত্র কোরআন শিখেছিলেন ইয়ামি গৌতম দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’
Logo
logo

রাশিয়ার ৪টি তেল শোধনাগারে ইউক্রনের হামলা


খবর   প্রকাশিত:  ২২ জুন, ২০২৪, ০৩:১০ পিএম

রাশিয়ার ৪টি তেল শোধনাগারে ইউক্রনের হামলা

রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের চারটি তেল শোধনাগার ও সামরিক স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। কিয়েভের কর্মকর্তারা শুক্রবার (২১ জুন) এ তথ্য জানিয়েছে। একই সঙ্গে ১১৪টি ড্রোন ধ্বংসের দাবি এবং একজন নিহত হওয়ার কথা জানিয়েছে রাশিয়া।

ইউক্রেনের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, আফিপস্কি, ইলস্কি, ক্রাসনোদার ও আস্ট্রাখান তেল শোধনাগার এবং একটি রেডিও ও গোয়েন্দা স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে তারা।

এ ছাড়া ক্রাসনোদারে একটি ড্রোন প্রস্তুত ও সংরক্ষণাগার লক্ষ্য করেও হামলা চালানো হয়েছে। এতে সেখানে বিস্ফোরণের পর আগুন ধরে যায়।

 

অন্যদিকে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ক্রিমিয়া ও কৃষ্ণ সাগরের ওপরে ৭০টি ড্রোন ধ্বংস করেছে তারা। সেই সঙ্গে ক্রাসনোদারে ৪৩টি এবং ভলগোগ্রাদে একটি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে।

 

এ ছাড়া স্থানীয় গভর্নর ভেনিয়ামিন কনড্রাতিয়েভ টেলিগ্রামে জানান, ক্রাসনোদরে ইউঝনি ট্রেন স্টেশনের কাছে ড্রোন হামলায় একজন নিহত হয়েছে। পাশাপাশি সেভারস্কি জেলায় একটি তেল শোধনাগারে বেশ কয়েকটি প্রশাসনিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কয়েক মাস ধরে রুশ তেল শোধনাগারে বেশ কয়েকটি আক্রমণ চালিয়েছে ইউক্রেন। এসব জায়গা থেকে রুশ সামরিক বাহিনীকে জ্বালানি সরবরাহ করা হয় বলে ইউক্রেন এগুলোকে তাদের ন্যায্য লক্ষ্যবস্তু বলে যুক্তি দেয়।

রাশিয়াও ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতাকে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। ফলে দেশটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করতে বাধ্য হয়েছে।