NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, এপ্রিল ২৫, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন জ্বালানি নিরাপত্তার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হুমকিতে বিশ্ব : আইইএর প্রধান হরমুজে মাইন বসাতে দেখলেই গুলির নির্দেশ ট্রাম্পের নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রেকর্ড জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের চরিত্রের প্রয়োজনে পবিত্র কোরআন শিখেছিলেন ইয়ামি গৌতম দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’
Logo
logo

ইসরায়েলকে যুদ্ধবিরতি মেনে নিতে চাপ দিচ্ছে রিয়াদ : সৌদি মন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ২৩ এপ্রিল, ২০২৪, ০৯:৫১ পিএম

ইসরায়েলকে যুদ্ধবিরতি মেনে নিতে চাপ দিচ্ছে রিয়াদ : সৌদি মন্ত্রী

হামাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের যুদ্ধের মধ্যে সৌদি আরব গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি ও ভূখণ্ডে আরো সহায়তা প্রবেশের জন্য চাপ দিচ্ছে। সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল অ্যারাবিয়ার সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন। গণমাধ্যমটি মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান বলেছেন, হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে চুক্তিতে অবশ্যই এ দুটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।

লুক্সেমবার্গে অনুষ্ঠিত প্রথম উচ্চ পর্যায়ের ইউরোপীয় ইউনিয়ন-গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিলের নিরাপত্তা ফোরামের ফাঁকে তিনি এই বিবৃতি দেন।

 

সৌদি মন্ত্রী আরো বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি দেশ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করেছে। তিনি এটিকে এই অঞ্চলে শান্তি অর্জনের দিকে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ বলে বর্ণনা করেছেন।

তিনি আল অ্যারাবিয়াকে বলেন, ‘আমরা আশা করি, অন্তত কিছু ইউরোপীয় দেশের এই পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত অন্যরা অনুসরণ করবে।

 

দক্ষিণ ইসরায়েলে হামাসের অনুপ্রবেশের পর ৭ অক্টোবর থেকে এ অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। সেই ঘটনার প্রতিক্রিয়া জানাতে গাজা উপত্যকায় একটি নির্মম সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েল। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, ইসরায়েলের হাতে ৩৪ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যাদের অধিকাংশই শিশু ও নারী।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, ইসরায়েল এই অঞ্চলে প্রয়োজনীয় সহায়তার প্রবেশেও বাধা দিয়েছে, যার ফলে আন্তর্জাতিক অধিকার গোষ্ঠীগুলো থেকে বিশ্বব্যাপী ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

তারা বলছে, এতে অঞ্চলজুড়ে ব্যাপক দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং ইতিমধ্যে ভয়াবহ মানবিক পরিস্থিতি আরো খারাপ হচ্ছে।