NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০২৬ | ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র থেকে বই কিনলেন জাইমা রহমান এমপির গাড়িতে হামলায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের ওয়াশিংটনে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা ট্রাম্পের সাংবাদিকদের সঙ্গে নৈশভোজের সময় বন্দুকধারীর হানা, সরিয়ে নেওয়া হলো ট্রাম্পকে ১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় পূজা চেরীর বাবা কারাগারে মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও
Logo
logo

সালমান–শাবনূরের ‘স্বপ্নের ঠিকানা’র পরিচালক আর নেই


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৫:৫৩ এএম

সালমান–শাবনূরের ‘স্বপ্নের ঠিকানা’র পরিচালক আর নেই

নব্বই দশকের জনপ্রিয় সিনেমা ‘স্বপ্নের ঠিকানা’ পরিচালক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ খালেক মারা গেছেন। গতকাল বুধবার মধ্যরাতে তাঁর মৃত্যু হয়। মাসখানেক আগে ঢাকার মতিঝিলে এক দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিলেন এই পরিচালক। পেছন থেকে একটি রিকশার ধাক্কায় রাস্তায় পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পেয়েছিলেন তিনি।

 

 

দুর্ঘটনার পর কয়েকজন পথচারী তাঁকে ঢাকার মধুবাগের বাসায় পৌঁছে দেন। তাৎক্ষণিকভাবে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে নেন। পরীক্ষা–নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসকেরা জানান, এম এ খালেকের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ ঘটেছে। মাসখানেক ধরে হাসপাতালে চিকিৎসা চলছিল তাঁর।

 
শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় দিন পাঁচ দিন আগে তাঁকে বাসায় আনা হয়। এরপর গতকাল মধ্যরাতে হঠাৎ করে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়। গণমাধ্যমে এমনটাই জানান এম এ খালেকের মেয়ে ফাতেমা তুজ জোহরা।
 

 

সালমান শাহ ও শাবনূর জুটিকে নিয়ে নির্মিত এম এ খালেকের ‘স্বপ্নের ঠিকানা’ সিনেমাটি মুক্তির পর দর্শকমহলে সাড়া ফেলেছিল। ১৯৯৫ সালের ১১ মে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাটি প্রযোজনা করেন নুরুল ইসলাম।

প্রায় দেড় দশক ধরে সিনেমা পরিচালনা থেকে দূরে ছিলেন খালেক। তবে মাঝেমধ্যে এফডিসিতে আসতেন, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতেন। পেশাগত জীবনে পরিচালনার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ব্যাংকে চাকরি করেছেন তিনি।

 
জোহরের নামাজের পর মধুবাগে তাঁর জানাজা হয়েছে। বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ খালেককে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদানের পর মিরপুরের বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হবে।