NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মে ২, ২০২৬ | ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
শ্রমিকের খাতায় নিজের নাম লেখাতে চান তারেক রহমান মহান মে দিবস আজ এই চেয়ারে বসলে প্রতি মুহূর্তে অনুভব করি ‘তপ্ত হিট’ আসছে : প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর দাবি, ইউনূস সরকারের ১৮ মাসের দুর্নীতি তদন্তে স্বাধীন কমিশন গঠন করা হোক বোয়িংয়ের ১৪ উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি সই ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টা, মাত্র ৪ সেকেন্ডে নিরাপত্তা বলয় ভাঙার ভিডিও প্রকাশ গ্লোবাল অ্যানিমে অ্যাওয়ার্ডস সঞ্চালনা করবেন রাশমিকা সংসদ সচিবালয় কমিশনের বৈঠকে ২৯০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন আরএমটিপি প্রকল্পে ৭ লাখের বেশি পরিবারের জীবিকায় দৃশ্যমান উন্নয়ন ইরান যেন পারমাণবিক শক্তিধর না হয়, রাজা চার্লসও তাতে একমত : ট্রাম্প
Logo
logo

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা


খবর   প্রকাশিত:  ৩০ মার্চ, ২০২৪, ০১:১১ এএম

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল ৬টা ৩৪ মিনিটে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধান।

জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে প্রথমে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন, পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধে বীর শহীদদের স্মরণে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল তখন রাষ্ট্রীয় সালাম জানায়। এসময় বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর।

 

মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধান, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিক, সরকারের পদস্থ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

পরে আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে আবারো শ্রদ্ধা নিবেদন করেন শেখ হাসিনা। এরপর জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী এবং প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

১৬ ডিসেম্বর পরাধীনতার শৃঙ্খল মুক্তির দিন। বিজয়ের ৫২ বছর পূর্তি। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে স্বাধীন হয় লাল-সবুজের দেশ, আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ। অনেক ত্যাগের বিনিময়ে এসেছে এ বিজয়। লাখ লাখ মানুষের উৎসর্গিত জীবন, মা-বোনের লুণ্ঠিত ইজ্জত ও শ্রেষ্ঠ সন্তানদের খুনের দামে পাওয়া এ স্বাধীনতা।

 

এ দিনে পাক বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমেই ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ শুরু হওয়া স্বাধীনতার লড়াই বিজয়ের পূর্ণতায় ধরা দেয় বাংলার মানুষের কাছে। এর আগে ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ভাষণে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করেছিলেন। নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী এদিনে যৌথবাহিনীর (মুক্তিবাহিনী ও ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় সেনা কমান্ডের) কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়েছিল।