NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, এপ্রিল ২৯, ২০২৬ | ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নারীদের স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত শিক্ষা বিনা মূল্যে করা হবে : প্রধানমন্ত্রী ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর স্বার্থরক্ষায় সম্ভাব্য সব কিছু করব : পুতিন যুদ্ধে অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসবেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বিজিএমইএর গলফ টুর্নামেন্টের পৃষ্ঠপোষকতায় ‘দৌড়’ বিজেপি ছাড়তেই অভিনেত্রীকে ধর্ষণের হুমকি আজ যশোরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, রয়েছে যেসব কর্মসূচি দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা তনু হত্যাকাণ্ডের রিপোর্ট দেওয়া চিকিৎসকের ইউনেস্কো প্রতিনিধিদের সঙ্গে মাহদী আমিনের সাক্ষাৎ হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন শর্ত দিল ইরান শিগগিরই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হবে: ট্রাম্প
Logo
logo

মিয়ানমারে বিদ্রোহীদের রাজনৈতিক সমাধান খোঁজার আহ্বান জান্তাপ্রধানের


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৫:৫৩ এএম

মিয়ানমারে বিদ্রোহীদের রাজনৈতিক সমাধান খোঁজার আহ্বান জান্তাপ্রধানের

মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইরত জাতিগত সংখ্যালঘু সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে রাজনৈতিক সমাধান খোঁজার আহ্বান জানিয়েছেন সামরিক জান্তা বাহিনীর প্রধান। মঙ্গলবার মিয়ানমারের গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হামলায় চীন, ভারত ও থাইল্যান্ড সীমান্তে একের পর এক এলাকার নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে সামরিক জান্তা। বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০২১ সালে ক্ষমতা দখলের পর জান্তা বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।

 

 

গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমারের খবরে বলা হয়েছে, জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইং সতর্ক করে বলেছেন, সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো যদি বোকার মতো এভাবে লড়াই চালিয়ে যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের মানুষকে এর জন্য ভুগতে হবে। তাই সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে ভাবতে হবে। এসব সশস্ত্র সংগঠনকে তাদের সমস্যা রাজনৈতিকভাবে সমাধান করতে হবে।

 

মিয়ানমারে এক ডজনের বেশি সংখ্যালঘু সশস্ত্র জাতিগোষ্ঠী রয়েছে।

 
এদের অনেকে সীমান্ত অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করছে। ১৯৪৮ সালে ব্রিটেন থেকে মিয়ানমার স্বাধীন হওয়ার পর সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করছে তারা।

 

গত অক্টোবরের শেষের দিকে তিনটি সশস্ত্র গোষ্ঠী উত্তরাঞ্চলীয় শান প্রদেশে যৌথ হামলা শুরু করে। ওই প্রদেশের চীন সীমান্তবর্তী বেশ কয়টি শহর বিদ্রোহীরা দখলে নেয়।

 
সেখানকার ব্যবসা-বাণিজ্য এখন তারাই নিয়ন্ত্রণ করে।

 

জাতিসংঘের মাঠ পর্যায়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অক্টোবরে বিদ্রোহীরা হামলা শুরুর পর শিশুসহ ২৫০ জন বেসামরিক লোক নিহত হয়েছে। দেশজুড়ে পাঁচ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সু চির সরকারকে উৎখাতের পরিপ্রেক্ষিতে গঠিত ‘পিপলস ডিফেন্স ফোর্সেস’ (পিডিএফ) মিয়ানমারের উত্তর ও পূর্বে সেনাবাহিনীর ওপর হামলা শুরু করে।

গত সপ্তাহে পিডিএফ যোদ্ধারা জানান, পূর্বাঞ্চলীয় কায়াহ রাজ্যের রাজধানীর কিছু অংশ তাঁরা নিয়ন্ত্রণ করছেন।

 
পুরো শহর থেকে জান্তা বাহিনীকে হটাতে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা।