NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মে ২, ২০২৬ | ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ইউনিসেফের সতর্কতা উপেক্ষা, টিকা ক্রয় পদ্ধতি বদল করে অন্তর্বর্তী সরকার জিয়াউর রহমান সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন : রাষ্ট্রপতি ইরানের প্রস্তাবে অসন্তুষ্ট ট্রাম্প— ‘যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হচ্ছে না’ ২০ বছর পর মুক্তি পেল ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা’ সিক্যুয়াল ইসরায়েলি কর্মকর্তার পাশে দাঁড়াতে অস্বীকৃতি ফিলিস্তিন ফুটবল প্রধানের শ্রমিকের খাতায় নিজের নাম লেখাতে চান তারেক রহমান মহান মে দিবস আজ এই চেয়ারে বসলে প্রতি মুহূর্তে অনুভব করি ‘তপ্ত হিট’ আসছে : প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর দাবি, ইউনূস সরকারের ১৮ মাসের দুর্নীতি তদন্তে স্বাধীন কমিশন গঠন করা হোক বোয়িংয়ের ১৪ উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি সই
Logo
logo

যেকোনো মূল্যে বাংলাদেশে গণতন্ত্র অব্যাহত রাখতে হবে : প্রধানমন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ২৪ নভেম্বর, ২০২৩, ০২:৩০ পিএম

যেকোনো মূল্যে বাংলাদেশে গণতন্ত্র অব্যাহত রাখতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশে যেকোনো মূল্যে গণতন্ত্র অব্যাহত রাখতে হবে। কোনোভাবেই অগণতান্ত্রিক শক্তি ক্ষমতা দখল করতে পারবে না।

যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশবিষয়ক অল পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের (এপিপিজি) প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে লন্ডন শহরের তাজ হোটেলে সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ কথা বলেন। সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

 

শেখ হাসিনা ওই প্রতিনিধিদলকে বলেন, ‘আমরা একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব সংস্কার এরই মধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, সার্চ কমিটির মাধ্যমে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ প্রশাসনিক ও আর্থিক স্বাধীনতা পাবে নির্বাচন কমিশন।

 

শেখ হাসিনা আরো বলেন, বিরোধী দলে থাকার সময় আওয়ামী লীগের প্রস্তাবের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ছবির মাধ্যমে ভোটার তালিকা তৈরি করা হয়েছিল এবং স্বচ্ছ ব্যালটে ভোটগ্রহণের নিয়ম চালু হয়েছিল।

বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতির বিষয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে প্রতিনিধিদল।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বলেন, আগামী নির্বাচন তদারকির জন্য ওই প্রতিনিধিদলকে নির্বাচন পর্যবেক্ষকদল পাঠানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রতিনিধিদলের সব সদস্য।

 

জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অব্যাহত গণতন্ত্র ও স্থিতিশীল পরিবেশের কারণে বাংলাদেশের ব্যাপক উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে।

ব্রিটেন ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে ব্রিটেনের বিনিয়োগ বাড়ছে।

এ সময় যুক্তরাজ্যকে বড় পরিসরে, বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। এ জন্য যুক্তরাজ্যকে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল দেওয়ার প্রস্তাব দেন তিনি।

এ সময় রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে যুক্তরাজ্যের সাহায্য চান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা মাতৃভূমি মিয়ানমারে ফিরে যেতে চায়।

 

মোমেন বলেন, সম্প্রতি রোহিঙ্গাদের জন্য যুক্তরাজ্যের মানবিক সহায়তার পরিমাণ কমেছে। তাই দেশটির প্রতি মানবিক সহায়তা তহবিল বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে বাংলাদেশকে সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ব্রিটিশ সরকার।

এপিপিজির চেয়ারপারসন ব্রিটিশ এমপি রুশনারা আলীর নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে ছিলেন এপিপিজির ভাইস চেয়ারপারসন এমপি বীরেন্দ্র শর্মা, এমপি ভ্যালেরি ভাজ ও এমপি ইমরান হুসেইন এবং স্কটল্যান্ডের বাংলাদেশবিষয়ক ক্রস-পার্টি গ্রুপের চেয়ারপারসন এমপি ফয়সল চৌধুরী। খবর বাসস’র।