NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মে ২, ২০২৬ | ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ইউনিসেফের সতর্কতা উপেক্ষা, টিকা ক্রয় পদ্ধতি বদল করে অন্তর্বর্তী সরকার জিয়াউর রহমান সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন : রাষ্ট্রপতি ইরানের প্রস্তাবে অসন্তুষ্ট ট্রাম্প— ‘যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হচ্ছে না’ ২০ বছর পর মুক্তি পেল ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা’ সিক্যুয়াল ইসরায়েলি কর্মকর্তার পাশে দাঁড়াতে অস্বীকৃতি ফিলিস্তিন ফুটবল প্রধানের শ্রমিকের খাতায় নিজের নাম লেখাতে চান তারেক রহমান মহান মে দিবস আজ এই চেয়ারে বসলে প্রতি মুহূর্তে অনুভব করি ‘তপ্ত হিট’ আসছে : প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর দাবি, ইউনূস সরকারের ১৮ মাসের দুর্নীতি তদন্তে স্বাধীন কমিশন গঠন করা হোক বোয়িংয়ের ১৪ উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি সই
Logo
logo

জলবায়ু সংকট এড়াতে বিশ্বের ধনী দেশগুলোকে সৎ হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০৯:০৭ পিএম

জলবায়ু সংকট এড়াতে বিশ্বের ধনী দেশগুলোকে সৎ হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা: আসন্ন সংকট এড়াতে বিশ্বের প্রধান অর্থনীতির দেশগুলোর জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে সততার সঙ্গে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি বিশ্বের প্রধান অর্থনীতির দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তন এবং আসন্ন সংকট এড়াতে তাদের ন্যায্য অংশীদারত্বের বিষয়ে সৎ থাকবে।’

আজ বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্ক ইসিওএসওসি চেম্বারে ‘জলবায়ু ন্যায্যতা প্রদান : ত্বরান্বিত উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং অভিযোজন ও সবার জন্য প্রাথমিক সতর্কবার্তা বাস্তবায়ন’ শীর্ষক সম্মেলনের উচ্চ স্তরের বিষয়ভিত্তিক অধিবেশনে এ মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে অভিযোজন এবং আগাম সতর্কতায় বিনিয়োগ করা সঠিক।

আমরা আশা করি আমাদের উন্নয়ন সহযোগীরা জলবায়ু ন্যায্যতা প্রদানের জন্য এই সুযোগগুলোকে কাজে লাগাবে।’

 

শেখ হাসিনা বলেন, জাতিসংঘ মহাসচিবের দুটি উদ্যোগে সমর্থন দিতে বাংলাদেশ এই অধিবেশনে যোগ দিয়েছে। জলবায়ু ন্যায্যতার একজন প্রবক্তা হিসেবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এই এজেন্ডাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার যেকোনো গঠনমূলক পদক্ষেপের প্রতি সমর্থন দিতে প্রস্তুত। ভূমিকম্প মডেলিং নিয়ে দেশব্যাপী একটি প্রদর্শনী মহড়া করতে জাতিসংঘকে অনুরোধ জানিয়েছেন।

আর্থ অবজারভেটরি হিসেবে বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু টু নিয়ে কাজ করছেন।

 

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ দক্ষিণ-দক্ষিণ এবং ত্রিভুজাকার সহযোগিতার মাধ্যমে অন্য দুর্বল দেশগুলোর সঙ্গে তার দক্ষতা বিনিময় করতে ইচ্ছুক।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবার জন্য প্রাথমিক সতর্কতা এমডিবি এবং আইএফআইকে এ ধরনের প্রচেষ্টায় যোগ দিতে উৎসাহিত করতে সক্ষম হবে।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘১৯৭০ সালে ভোলা ঘূর্ণিঝড়ের সময় যে লক্ষাধিক লোক মারা গিয়েছিল তার তুলনায় বাংলাদেশে প্রাণহানির সংখ্যা এক অঙ্কে নেমে এসেছে।

আমাদের ৬৫ হাজর উপকূলীয় মানুষের সমন্বয়ে বিশ্বের বৃহত্তম কমিউনিটি স্বেচ্ছাসেবক কর্মসূচি রয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার জন্য বাংলাদেশ একটি সমন্বিত বহু-বিপত্তি প্রাথমিক সতর্কীকরণ পদ্ধতির সর্বশেষ জাতীয় পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।’

 

ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের (সিভিএফ) বিষয়ভিত্তিক রাষ্ট্রদূত সায়মা ওয়াজেদ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।