NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মে ৩, ২০২৬ | ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ইউনিসেফের সতর্কতা উপেক্ষা, টিকা ক্রয় পদ্ধতি বদল করে অন্তর্বর্তী সরকার জিয়াউর রহমান সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন : রাষ্ট্রপতি ইরানের প্রস্তাবে অসন্তুষ্ট ট্রাম্প— ‘যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হচ্ছে না’ ২০ বছর পর মুক্তি পেল ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা’ সিক্যুয়াল ইসরায়েলি কর্মকর্তার পাশে দাঁড়াতে অস্বীকৃতি ফিলিস্তিন ফুটবল প্রধানের শ্রমিকের খাতায় নিজের নাম লেখাতে চান তারেক রহমান মহান মে দিবস আজ এই চেয়ারে বসলে প্রতি মুহূর্তে অনুভব করি ‘তপ্ত হিট’ আসছে : প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর দাবি, ইউনূস সরকারের ১৮ মাসের দুর্নীতি তদন্তে স্বাধীন কমিশন গঠন করা হোক বোয়িংয়ের ১৪ উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি সই
Logo
logo

দেশের উন্নয়নে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান


খবর   প্রকাশিত:  ২৪ জানুয়ারী, ২০২৫, ০৫:২৪ এএম

দেশের উন্নয়নে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান

বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা। বৃহস্পতিবার লন্ডনেরি রেডব্রিজ সেন্ট্রাল লাইব্রেরিতে আয়োজিত এক সংলাপে এ আহ্বান জানানো হয়। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান। ইলফোর্ড টাউন কাউন্সিলর ও রেডব্রিজ লেবার গ্রুপের চেয়ার সায়মা আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংলাপে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সেন্টার ফর বাংলাদেশ স্টাডিজের পরিচালক ব্যারিস্টার প্রশান্ত ভূষণ বড়ুয়া। যুক্তরাজ্যে বেড়ে ওঠা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রজন্মের তরুণদের প্রশ্ন এবং বাংলাদেশ ভাবনা দিয়ে শুরু হওয়া এই সংলাপে বিভিন্ন সেক্টরে অসামান্য অবদান রাখা পেশাজীবী ও কমিউনিটি ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান বলেন, ডায়াস্পোরা কমিউনিটি বা প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে সরকারের নীতিনির্ধারকদের এ ধরনের সংলাপ বা চিন্তার আদান-প্রদান অত্যন্ত জরুরি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রবাস-বান্ধব নীতিসহ বাংলাদেশের সামগ্রিক অগ্রযাত্রার চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ঐতিহাসিকভাবে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কমিউনিটি আমাদের সব ধরনের সংকটে অবদান রেখে এসেছে। প্রবাসীদের যৌক্তিক দাবি-দাওয়া পূরণসহ তাদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশের উন্নয়ন বেগবান হবে।

অন্যদিকে বিনিয়োগ, শিক্ষা-গবেষণা এবং সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের মধ্য দিয়ে তরুণ প্রজন্মের ব্রিটিশ-বাংলাদেশিদের শেকড়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার অনুকূল পরিবেশ সরকারকেই সৃষ্টি করতে হবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন অংশগ্রহণকারীরা।