নিউইয়র্কে ২৭ জানুয়ারি তওহিদ-সোনিয়ার যৌথ আলোকচিত্র প্রদর্শনী “নির্যাস ও অস্তিত্ব”

0 503

নিউ ইয়র্কঃ আগামী ২৭ জানুয়ারি শনিবার দুপুর ৩ টায় নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তওহিদ-সোনিয়া দম্পতির আলোকচিত্র প্রদর্শনী ESSENCE AND ENTITY অর্থাৎ “নির্যাস ও অস্তিত্ব”।নিউইয়র্ক সিটির জামাইকাস্থ হিলসাইড এলাকার স্টার পার্টি সেন্টারে আয়োজিত এই আলোক চিত্র প্রদর্শনীটি রাত নয়টা পর্যন্ত চলবে।

শহীদ বুদ্ধিজীবী সাংবাদিক সিরাজুদ্দিন হোসেনের সর্বকনিষ্ঠ তনয় তওহিদ রেজা নূরের এটি ষষ্ঠ আলোকচিত্র প্রদর্শনী হলেও যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে এটি তাঁর প্রথম আয়োজন। এর আগে তাওহিদের তিনটি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে তাঁর পিএইচডি অধ্যয়নকালীন সময়ে দিল্লিতে ২০০৮, ২০০৯ ও ২০১০ সালে এবং ঢাকায় দুইটি হয়েছে ২০০৭ ও ২০১০ সালে। অন্যদিকে সহধর্মিণী সোনিয়া আশরাফীর আলোকচিত্র প্রদর্শনীর এটিই সর্বপ্রথম। স্বামীর পাশে থেকে তিনিও মাঝে মধ্যে আশপাশের সমাজ জীবনের নানান চালচিত্র তাঁর ক্যামেরায় বন্দী করার চেষ্টা করেছেন।

নিখুঁত পর্যবেক্ষণ ও শৈল্পিক অনুভূতির দৃষ্টিকোণ থেকে তোলা বেশ কিছু ভিন্ন মাত্রার আলোকচিত্র এই “নির্যাস ও অস্তিত্ব” শীর্ষক প্রদর্শনীতে দর্শকগণ দেখতে পাবেন বলে আয়োজক গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট ঢাকা স্কুল অব ইকনমিক্সের সহকারী অধ্যাপক তওহিদ রেজা নুর গত কয়েক বছর ধরেই যুক্তরাষ্ট্রে আসা যাওয়া করছেন। শহীদ বুদ্ধিজীবী বাবা সিরাজুদ্দিনের আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত আট ভাইদের মধ্যে তাঁর বড় চার ভাই বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বসবাস করছেন। এরা হলেনঃ সর্বজ্যেষ্ঠ শামীম রেজা নুর, তৃতীয় ভাই ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সংগঠক ফাহিম রেজা নুর, পঞ্চম ভাই সেলিম রেজা নুর ও ষষ্ঠ ভাই সাহীদ রেজা নুর।

অন্যদিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিবারে জন্মগ্রহণকারী সোনিয়া আশরাফীর বাবা এডভোকেট প্রয়াত আব্দুস সবুর আশরাফী ছিলেন গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ আওয়ামীলীগের ষাট দশকের প্রতিষ্ঠাতা নেতা ও ১৯৭৫ সালের বঙ্গবন্ধুর প্রতিষ্ঠিত বাকশালের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং পরবর্তীকালে ঢাকা আইনজীবী সমিতির একাধারে সাধারণ সম্পাদক, সহ সভাপতি ও সভাপতি। এছাড়া সোনিয়ার এক ফুপাতো ভাই ব্যবসায়ী জুয়েল নিউইয়র্কে এবং এক ফুপাতো বোন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার নাহিদ ফিরোজ ও এক চাচাতো ভাই যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশি কমিউনিটির স্বনামধন্য সাংবাদিক ও লেখক রুমী কবির দীর্ঘদিন যাবৎ আটলান্টায় থাকেন।

Print Friendly, PDF & Email

Leave A Reply