জাগরনী কালচারাল সোসাইটির উদ্যোগে সরস্বতী পূজা উদযাপিত

42

আটলান্টিক সিটি থেকে সুব্রত চৌধুরি-সনাতন হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে দেবী সরস্বতী হলেন জ্ঞান-বিদ্যা-সংস্কৃতি ও শুভ্রতার দেবী।তাঁর সৌম্য অবয়ব,শুভ্র বসন, হংস সম্বলিত পুস্তক ও বীণাধারিনী দেবী সনাতনী হিন্দুদের হৃদয়ে এমনভাবেই বিরাজিত।অনন্তকাল ধরে শিক্ষাকে উঁচুস্তরে আসীন করা হয়েছে সনাতন ধর্মে।ঋষিরা ব্রহ্মের অনন্তশক্তির অংশকে একেকজন দেব-দেবীরূপে কল্পনা করেছেন।ব্রহ্মের যে শক্তি বিদ্যা শিক্ষা দান করেন তাঁকে সরস্বতী দেবী জ্ঞ্যানে পূজার্চনা করা হয়।যে কারনে শাস্ত্রে বলা হয়েছে,চতুর্ভুজা ব্রহ্মের মুখ থেকে আবির্ভূতা শুভ্রবর্না বীনাধারিনী চন্দ্রের শোভাযুক্তা দেবীই হলেন সরস্বতী।সরস্বতীর ধ্যান,প্রনামমন্ত্র ও স্তবমালা থেকে সামগ্রিক রূপটি হল-‘তিনি শুভ্রবর্ণা শ্বেত পদ্মাসনা, শ্রীহস্তে লেখনী,পুস্তক ও বীণা’।

গত ২১ জানুয়ারি, ২০১৮,রবিবার নিউজার্সি অঙ্গরাজ্যের সাউথ জার্সিতে জাগরনী কালচারাল সোসাইটি ইনক এর উদ্যোগে ৫৭১ ,দক্ষিন পোমনায় অবস্থিত হিন্দু জৈন মন্দিরে বিদ্যা ও ললিতকলার অধিষ্ঠাত্রী দেবী সরস্বতীর পূজা উদযাপিত হয়।ঐদিন সকাল থেকেই মঙ্গলালোকে উদ্ভাসিত ধূপ-ধূনোর গন্ধে মাতোয়ারা ধরনীতে বেজে উঠেছিল শান্তির মোহনীয় সুর।

আটলান্টিক কাউনটিতে বসবাসরত হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন ঐদিন সকালে পুরোহিতের পূজার্চনা শেষে দেবী সরস্বতীর পদচরনে অঞ্জলি ও পুস্পার্ঘ অর্পণ করে।এছাড়া শিশুদেরকে হাতেখড়িও দেওয়া হয়।

সরস্বতী পূজা উপলক্ষে শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহনে চিএাংকণ প্রতিযোগীতারও আয়োজন করা হয়েছিল। পূজার্চনা শেষে ভক্তবৃন্দের মাঝে মহাপ্রসাদ বিতরন করা হয়।জাগরনী কালচারাল সোসাইটির সভাপতি কনক রাউথ ও সাধারন সম্পাদক লিটন ধর সরস্বতী পূজা উপলক্ষে দেশের ও প্রবাসের সনাতন হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

Print Friendly, PDF & Email

Comments are closed.