khabor.com, KHABOR.COM, khabor, news, bangladesh, shongbad, খবর, সংবাদ, বাংলাদেশ, বার্তা, বাংলা

তুরস্ক প্রধানমন্ত্রীকে বিএনপি : নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়

43

নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে কেবল বাংলাদেশে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু হতে পারে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি এবং হতে পারে না। গতকাল রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী বিনালি ইলদিরিমের বৈঠকে দলের পক্ষ থেকে এসব কথা বলা হয়েছে। বৈঠক সূত্র এ কথা জানিয়েছে।

সন্ধ্যা ৬টা থেকে হওয়া ৪৫ মিনিটের এই বৈঠকে খালেদা জিয়ার সঙ্গে ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবিহ উদ্দিন আহমেদ ও মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক উপদেষ্টা এনামুল হক চৌধুরী।

সূত্র জানায়, বৈঠকে বাংলাদেশে বিএনপিসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। দেশে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার বলতে কিছু নেই। বৈঠকে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে তুরস্কের সহযোগিতা চেয়েছেন খালেদা জিয়া।

বৈঠক শেষে মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশে কোন ধরনের রাজনীতি চলছে এবং আগামী নির্বাচনের অবস্থা কী দাঁড়াবে, সেই নির্বাচনে আমাদের কী ভূমিকা থাকবে, সরকারের ভূমিকা কেমন, দেশ কেমন চলছে, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সরকার কী ভূমিকা পালন করছেÑ এসব বিষয় জানতে চেয়েছেন তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী। আমরা আমাদের বক্তব্য তুলে ধরেছি। তিনি নিজ দেশের মতামত দিয়েছেন। বৈঠকে এসব বিষয় নিয়ে পারস্পরিক আলোচনা হয়েছে। আগামী নির্বাচন নিয়ে বিএনপির কী বক্তব্য ছিলÑ এমন প্রশ্নের জবাবে ফখরুল বলেন, আমরা আমাদের বক্তব্য তুলে ধরেছি।

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে তুরস্কের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে ফখরুল বলেন, তুরস্ক মনে করে রোহিঙ্গাদের সম্মানের সঙ্গে তাদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হবে। সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে হবে। পুরোপুরি স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন। তার জন্য বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গেও যোগাযোগ রক্ষা করতে হবে।

তিনি বলেন, তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে এসেছেন মূলত রোহিঙ্গা সমস্যা সরেজমিন দেখার জন্য। রোহিঙ্গাদের কীভাবে নিজ দেশে নিরাপত্তাসহকারে ফেরত পাঠানো যায়; সে বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কথা বলতে। আপনারা জানেন, প্রথম থেকেই তুরস্ক সরকার এবং দেশটির জনগণ এ ব্যাপারে সহানুভূতিশীল ছিল। রোহিঙ্গারা যাতে নিজ দেশে ফেরত যেতে পারে, এজন্য প্রথম থেকেই কাজ করছে তুরস্ক। দেশটির ফাস্ট লেডি প্রথমেই এখানে এসেছিলেন। বিষয়টি গোটা বিশ্বকে নাড়া দেয়। বিএনপি মহাসচিব জানান, তুরস্কের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাদের ৪৫ মিনিট বৈঠক হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email

Comments are closed.