khabor.com, KHABOR.COM, khabor, news, bangladesh, shongbad, খবর, সংবাদ, বাংলাদেশ, বার্তা, বাংলা

এমদাদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে: নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামীলীগ

3,243

নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ইমদাদ চৌধুরী কর্তৃক একের পর এক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামীলীগকে বিভক্ত করার যে অপচেষ্টা চালাচ্ছেন তা ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী পরিবারের সকলের কাছে অত্যন্ত পরিষ্কার হয়ে গেছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মাননীয় সভানেত্রী গনপ্রজতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যিনি আমাদের শেষ অশ্রয়স্থল তাঁর নাম বিক্রি করতেও এমদাদ চৌধরী দ্বিধা করছেন না। দলের সভানেত্রী কাউকে বহিষ্কার করলে সেটি বাংরাদেশ আওয়ামী লীগের প্যাডে দলীয় সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষর করে থাকেন। অথচ এমদাদ চৌধুরী গংরা কখনো আওয়ামী রাজনীতি করেননি বিধায় সে সত্যটি অস্বীকার করছেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ সভাপতি জনাব ড. সিদ্দিকুর রহমান মাননীয় নেত্রীর সাথে সরাসরি কথা বলে এর কোন সত্যতা পায়নি। নেত্রী বলেছেন, “আমি কাউকে বহিষ্কার করার কথা কখনো বলিনি”। দলীয় সাধারণ সম্পাদক জনাব ওবায়দুল কাদের ভাইয়ের সাথে যোগাযোগ করেও এর কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি। অথচ এই প্রতারক চক্র নিয়মিত ভাবে জনাব জাকারিয়া চৌধুরীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। শুধু এখানেই তারা ক্ষান্ত হচ্ছে না। গত ১৭ই ডিসেম্বর নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামীলীগের ৫ জন সদস্য ও কয়েকজন বহিরাগত লোক নিয়ে মাহনগর আওয়ামীলীগের কার্যকরী পরিষদের তথাকথিত মিটিং এর নামে যে প্রতারনার নাটক সাজিয়েছেন তা নি¤œরূপ। নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামীলীগের কার্যকরী কমিটি ৭৬ সদস্য বিশিষ্ট অথচ উপস্থিত মাত্র ৫জন। কোরাম হতে কতজন লাগে তা কিন্তু তারা জানেন না। সে অবৈধ সভায় যাদেরকে পদায়ন করা হয় তাদের একজন নুরুল আমিন যিনি মুসলিম উম্মার সাথে সম্পৃক্ততার কারণে এমদাদ চৌধুরী তাকে ব্রুকলীন আওয়ামী লীগের সভাপতি হতে দেননি। মুসলিম উম্মার সাথে সম্পৃক্ততার প্রমাণ এমদাদ চৌধুরী মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যকরী পরিষদকে সেই সময় সরবরাহ করেন। অথচ দশ হাজার ডলারের বিনিময়ে এখন তাকে সহ সভাপতি বলে প্রচার করছেন। সৈয়দ ইলিয়াস খসরু যিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আইটি উপদেষ্টা জনাব সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে ইসরাইলী গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের কর্মকর্তা মেন্দী সাফাদির সাথে বৈঠকের যে নাটক টাইম টেলিভিশনে সাজিয়ে ছিলেন তার প্রধান নায়ক। যিনি বর্তমানেও টাইম টেলিভিশন এবং বাংলা প্রত্রিকার শীর্ষ কর্মকর্তা। তার মত ব্যাক্তিকে মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক পদে পদায়ন করা কিসের আলামত! কারন যুদ্ধাপরাধীদের মিডিয়া এমদাদ চৌধরীদের মিথ্যা প্রবাগান্ডার মূল কেন্দ্র। আরেকজনকে সহ সভাপতি পদে পদায়ন করা হয়েছে সেই সাইকুল ইসলাম যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের এক সময়ের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। যে রফিকুল ইসলামকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বলে প্রচার করছেন তিনি বিগত ৬ বৎসরে কখনো নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামীলীগের কোন কার্যকরী কমিটির মিটিং এ উপস্থিত ছিলেন না। অতএব দলীয় গঠনতন্ত্র মোতাবেক তিনটি কার্যকরী সভায় অনপোস্থিতির কারনে ৫ বৎসর পূর্বে ওনার সদস্যপদ বাতিল হয়ে গেছে।

পরিশেষে আমরা নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামীলীগের সকল সদস্যবৃন্দ এমদাদ চৌধরীর অবৈধ ভূয়া কার্যকরী কমিটির সকল সিদ্ধান্ত বাতিল ঘোষনা সাপেক্ষে অবিলম্বে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহন করার উদ্যোগ গ্রহন করছি।

 

Print Friendly, PDF & Email

Comments are closed.