khabor.com, KHABOR.COM, khabor, news, bangladesh, shongbad, খবর, সংবাদ, বাংলাদেশ, বার্তা, বাংলা

বঙ্গবন্ধু’র ভাষণ ‘ইউনেস্কোর স্বীকৃতি’ উদযাপন উপলক্ষে, হেগস্থ দূতাবাস আয়োজিত অনুষ্ঠানে-হল্যান্ড আওয়ামী লীগের স্বতঃস্ফু্র্ত অংশগ্রহণ

0 21

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ মার্চ, তৎকালীন ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে-সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, ইতিহাসের মহানায়ক, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রদত্ত ‘ঐতিহাসিক ভাষণ’ অতিসম্প্রতি, ‘বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্য’ হিসেবে ইউনেস্কোর ‘মেমোরি অফ দা ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে’ যুক্ত করার মধ্যদিয়ে ‘ইউনেস্কো স্বীকৃতি’ প্রদান করেছেন।

‘ইউনেস্কোর স্বীকৃতি’ উদযাপন উপলক্ষ্যে, হেগস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস কর্তৃপক্ষ গত ২ ডিসেম্বর ২০১৭, এক ‘আনন্দ সমাবেশ’ এবং ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’র আয়োজন করেন। এতে স্বতঃস্ফু্র্ত ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন, নেদারল্যান্ডস (হল্যান্ড) আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। এবং নেদারল্যান্ডে বসবাসরত প্রবাসী বাঙ্গালীগণ ও দূতাবাসের কর্মকর্তা এবং কর্মচারীগণ। দূতাবাস আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানের আলোচনা শুরুর পূর্বে-‘ইউনেস্কো কর্তৃক এই বিশাল স্বীকৃতি’ উদযাপন উপলক্ষে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্র্রপতি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। এবং ১৯৭১ সালের ৭ মার্চে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের ভিডিও ক্লিপটি প্রদর্শন করা হয়।

দূতাবাসের মান্যবর রাষ্ট্রদূত শেখ মুহম্মদ বেলাল বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে মহাকাব্য হিসেবে অভিহিত করে এর তাৎপর্য তুলে ধরেন। রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, UNESCO কর্তৃক প্রদত্ত এ স্বীকৃতি বিশ্ব দরবাররে আমাদের গোটা জাতিকে এক নতুন উচ্চতায় আসীন করেছে । UNESCO কর্তৃক প্রদত্ত এ স্বীকৃতিকে জাতীয় গৌরব ও বাঙালী জাতির এক নতুন পরিচয় হিসেবে আখ্যায়িত করে রাষ্ট্রদূত প্রবাসী বাংলাদেশীদের বাংলাদেশের চলমান উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় আরো সক্রিয়ভাবে অবদান রাখার আহ্বান জানান।

উক্ত অনুষ্ঠানে-জাতির পিতা ‘বঙ্গবন্ধু’র প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে, বক্তব্য রাখেনঃ হল্যান্ড্ আওয়ামী লীগের সভাপতি জনাব মাঈদ ফারুক, সহ-সভাপতি জনাব ইমরান হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক জয়নাল আবদীনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, তাদের বক্তব্যে, বাংলার অবিসংবাদিত নেতা ‘বঙ্গবন্ধু’র ২৩ বছরের সংগ্রামের ইতিহাসের কথাটাও সংক্ষেপে তুলে ধরেন। তারা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু’র জন্ম না হলে কখনও স্বাধীনতা অর্জিত হতো না।

৭ মার্চে ‘বঙ্গবন্ধু’র ঐতিহাসিক ভাষণের তাৎপর্য বর্ণনায়-বক্তারা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু’র ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ ‘ভাষণ’।মহাকালের অনশ্বর একটি মহাকাব্যিক ভাষণ’। যার তুলুনা নেই। যা চিরঅমলিন ও মৃত্যুঞ্জয়ী। ‘বঙ্গবন্ধু’র ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণই ছিল প্রকৃত পক্ষে ‘স্বাধীনতার ঘোষণা। তারা বলেন, ৭ই মার্চের ভাষণে-নিহিত জাতির জনক ‘বঙ্গবন্ধু’র নির্দেশ অন্তরে ধারণ করে এবং ২৬ মার্চ ১৯৭১, আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর স্বাধীনতা ঘোষণায়-সমগ্র বাঙ্গালী জাতি প্রাণপণে মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে।

দীর্ঘ ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধে ত্রিশ লক্ষ শহীদের আত্মদান ও বাঙ্গালী জাতির বিশাল ত্যাগের বিনিময়ে দখলদার পাকিস্তানী বাহিনীকে পরাজিত করার মধ্যদিয়ে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১, অর্জিত হয়, বাংলাদেশের মহান বিজয়। ‘বঙ্গবন্ধু’র ৭ই মার্চের “ঐতিহাসিক ভাষণ” বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার এক অমূল্য দলিল। ‘বঙ্গবন্ধু’র ৭ই মার্চের “ঐতিহাসিক ভাষণ” ‘বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্য’ হিসেবে ইউনেস্কোর ‘মেমোরি অফ দা ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে’ যুক্ত করার মধ্যদিয়ে ‘ইউনেস্কো স্বীকৃতি’ প্রদান করায়-সমগ্র বাঙ্গালী আনন্দিত ও গর্বিত। ইউনেস্কো কর্তৃপক্ষকে পুনঃ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান সংগঠনের নেতারা।

দূতাবাস আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে-আরও উপস্থিত ছিলেন, হল্যান্ড্ আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জনাব এমদাদ হোসেন, সহ-সভাপতি জনাব সন্দিপ কুমার দাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব জসিম উদ্দিন, জনসংযোগ সম্পাদক জনাব ফজলুর রহমান, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক শামীম আক্রাম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ভূশন চন্দ্র নাথ, কার্যনির্বাহী সদস্য আলাউদ্দিন মোল্লাসহ অন্যান্য নেতৃবৃ্ন্দ। এবং জনাব জাফর আহমেদ, বিকাশ বাবুসহ বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাঙ্গালীগণ।

‘বঙ্গবন্ধু’র ৭ই মার্চের “ঐতিহাসিক ভাষণের চেতনায়-সকল অপশক্তিকে মোকাবেলা করার মধ্যদিয়ে এবং দেশে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখা এবং ‘বঙ্গবন্ধু’র স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়ণের লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করার আহবান জানান সংগঠনের নেতারা। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

Print Friendly, PDF & Email

Leave A Reply