khabor.com, KHABOR.COM, khabor, news, bangladesh, shongbad, খবর, সংবাদ, বাংলাদেশ, বার্তা, বাংলা

বিশ্বের কার্টুনিস্টদের চোখে সু চি

0 45

মিয়ানমারের ক্ষমতার স্বাদ পেয়ে বদলে গেছেন শান্তিতে নোবেল জয়ী অং সান সু চি। তার আচার-আচরণে বিশ্ব মহল এখন তেমনটাই বলছেন। মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নির্মূল অভিযানের ব্যাপারে তার সমর্থন বিশ্বব্যাপী নিন্দার জন্ম দিয়েছে। অনেকে তার শান্তিতে নোবেল পদকও বাতিলের দাবি জানিয়েছেন।

অবশ্য মিয়ানমারে রোহিঙ্গা সংকট নতুন নয়। ১৯৪৮ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীনতার স্বাদ পায় মিয়ানমার। ১৯৭৪ সালে রাখাইন অঞ্চল পায় রাজ্যের মর্যাদা। ওই সময় দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে রোহিঙ্গাদের প্রবেশাধিকার থাকলেও এর কয়েক বছর পরই অর্থাৎ ১৯৭৭ থেকে ১৯৭৮ সালের মধ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর প্রথম সহিংসতার ঘটনা ঘটে।

সেবারই প্রথম প্রচুর সংখ্যক রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। ১৯৮২ সালে মিয়ানমারের তৎকালীন সামরিক জান্তা সরকার রোহিঙ্গাদের নাগরিক ও নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীগত অধিকার কেড়ে নেয়। ১৯৯৪ সালে নতুন জন্ম নেওয়া রোহিঙ্গা শিশুদের সরকারি জন্মসনদের আবেদনও প্রত্যাখ্যান করা হয়। অং সান সু চির নেতৃত্বে মিয়ানমারে গণতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থার প্রত্যাবর্তন হলেও রোহিঙ্গাদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটেনি।

খুন, ধর্ষণ, বাড়িঘর আগুনে জ্বালিয়ে দেওয়ার মতো সহিংসতা এড়াতে গত ৫০ বছরে মোট ৩ দফায় অর্থাৎ ১৯৭৭-৭৮, ১৯৯১-৯২ ও ২০১২ সালে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

রোহিঙ্গাদের উপর মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রতিবাদে দেশ বিদেশের কার্টুনিস্টরা প্রচুর কার্টুন এঁকে চলেছেন। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে যা প্রকাশিত হচ্ছে। বাছাই করা সেসব কার্টুন নিয়ে পরিবর্তনের এবারের আয়োজন।

১. সু চি জানেন না কেন রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে পালিয়ে যাচ্ছে। সু চি’র এই বক্তব্যটি দি নিউজ লেন্স পত্রিকার কার্টুনিস্টের চোখে যেভাবে ধরা পড়েছে।

২. সু চি প্রায়ই বলে থাকেন তিনি জানেন না রোহিঙ্গাদের বিষয়ে বিশ্ব মহল এত আপত্তি তুলছে কেন! তার প্রশ্ন হচ্ছে, সমস্যাটা কোথায়? সু চি’র এমন প্রশ্নকে এভাবেই ফুটিয়ে তুলেছেন আই উইথনেস নিউজ অনলাইন।

৩. ছবিটি কার্টুন মুভমেন্ট অনলাইনে প্রকাশ করা হয়েছে।

৪. কার্টুনিং ফর পিস অনলাইনে সু চি’র বিজয় এভাবেই ধরা পরেছে।

৫. রোহিঙ্গাদের রক্তে নিজেকে রাঙিয়ে সু চি’র ধর্ম ভক্তি।

৬. মিসরের শরিফ আরাফার চোখে সু চি’র নোবেল! গণহত্যায় সমর্থনের কথা জানলে হয়তো আলফ্রেড নোবেলই পদক ফেরত নিতেন।

৭. ব্রাজিলের কার্টুনিস্ট আমোরিমের তুলিতে সু চি আর নোবেল পদক…

৮. জর্ডানের কার্টুনিস্ট লতিফ ফিতানি এভাবেই সু চিকে রাঙিয়ে তুলেছেন।

৯. গণহত্যাকে সমর্থন দিয়ে সু চি তার ভালো দিকগুলো হারিয়ে ফেলেছেন। গ্লোবাল কার্টুন তার টুইটার পাতায় সু চিকে এভাবেই তুলে ধরেছে।

১০. গণহত্যার ব্যাপারে সম্পূর্ণ উদাসিন সুচি।

Print Friendly, PDF & Email

Leave A Reply