khabor.com, KHABOR.COM, khabor, news, bangladesh, shongbad, খবর, সংবাদ, বাংলাদেশ, বার্তা, বাংলা

জাতিসংঘের সামনে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের বিশাল শান্তি সমাবেশ শ্লোগানে ‘মাদার অফ হিউম্যানিটি’

105

বাংলা অক্ষর নিউ ইর্য়ক থেকেঃ

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭২তম অধিবেশনে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভাষণ দেন। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণকে স্বাগত জানাতে জাতিসংঘের সামনে পূর্বনির্ধারিত শান্তি সমাবেশের আয়োজন করে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠন।

এর নেতৃত্ব দেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান। ম্যানহাটনের ৪৭ স্ট্রিটে বুধবার সন্ধ্যায় এ শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। শেখ হাসিনার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশর ভাবমূর্তির কথা মিছিলে মিছিলে তুলে ধরেন।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭২তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমন উপলক্ষ্যে অন্যান্য বারের ন্যায় এইবারও ডঃ সিদ্দিকুর রহমানের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহন করেছিল।

বিশাল এই সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে সমন্বয় সাধন এবং সবগুলো অনুষ্ঠান সুন্দর এবং সাফল্য জনকভাবে সম্পাদন করেন ডঃ সিদ্দিকুর রহমান। বিশাল ব্যানার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ এবং তাদের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকেন।

দূর থেকে আসা দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের স্লোগানে এলাকাটি মুখরিত হয়ে ওঠে শ্লোগানে। এবারের শ্লোগানে সবচেয়ে বেশি জোর দেয়া হচ্ছে ‘মাদার অফ হিউম্যানিটি’।

১ সেপ্টেম্বর বৃহসপতিবার জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে ঐ ভাষণের সমর্থনে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ শান্তি সমাবেশ করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভাষণ দেন স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিট থেকে ৮টা এক মিনিট পর্যন্ত।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে একটানা ৯ বার এবং তার সরকারের তিন মেয়াদে মোট ১৪ বার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রায় ২০ মিনিটের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় সঙ্কট রোহিঙ্গা সমস্যা বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরাসহ মানবকল্যাণ, শান্তি ও টেকসই ধরিত্রীর প্রাধিকারের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন জ্ঞাপন করেন।

নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্হিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ফজলুর রহমান, আকতার হোসেন, সৈয়দ বসরাত আলী, মাহাবুবুর রহমান,আবুল কাশেম, শামছুদ্দিন আজাদ, লুতফুর করিম, যুগ্ন সম্পাদক নিজাম চৌধুরী, আরিন পারভীন,

সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক আহমেদ, মহিউদ্দিন দেওয়ান,আব্দুল হাসিব মামুন,আব্দুর রহিম বাদশা, চন্দন দও, মুক্তিযোদ্ধা মুজাহিদুল ইসলাম, হাজী এনাম, জাহাঙ্গীর হোসেন, শিরিন আক্তার দীবা, .বাতেন, সোলেমান আলী, মাহবুবুর রহমান টুকু, আবুল মনসুর খান, মিসবাহ আহমেদ, মোঃ ফরিদ আলম, আব্দুল মালেক, তৈয়বুর রহমান টনি, দেওয়ান বজলু, শাহানা রহমান, ডেনি চৌধুরী, জাহাঙ্গীর চৌধুরী, সরফ সরকার, মজিবুল মাওলা, হিন্দল কাদের বাপ্পা, শামছুল আবেদিন, নুরুল আফসার সেন্টু, আবুল হোসেন, শহীদ কামরুল ইসলাম হীরা, আজাহার হোসেন লীটন, আবদুল হামিদ, রমেশ নাথ, সাবু মিয়া, এম এ আলম বিপ্লব, মহানগর আওয়ামী লীগের ভার প্রাপ্ত সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী, ছাএলীগের জাহিদ হাসান ও সাধারন আলআমিন, হেলাল মিয়া, আমিনুল ইসলাম

প্রদীপ রজ্ঞন কর, হাকিকুল ইসলাম খোকন,আব্দুল মোসাব্বের,এম এ সালাম, এম এ জলিল, সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ, ইকবাল রহীম, গেদু, ষ্টেট আওয়ামী লীগের শাহীন আজমল, শেখ আতিক, সাইকুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, মহিলা আওয়ামী লীগের মমতাজ শাহানাজ ,সেলিনাআজাদ,নাহার নিগার,রওশন আরা বেগম , নুরুন নবী,সেফু রহমান,খসরুজামান খসরু, জেড এ জয়,মোঃ জাহাঙ্গীর,

সেচ্ছাসেবক লীগের নুরুজজামান সরর্দার, সেবুল দেবনাথ,মোঃ শাখাওয়াত বিশ্বাস, দুরুদ মিয়া রণেল, যুবলীগের তরিকুল হায়দার চৌধুরী,বাহার খন্দকার সবুজ, সাইদুর রব খান জামাল, সেবুল মিয়া ও যুগ্ম সম্পাদক রহিমুজ্জামান সুমন, গণেশ কীর্তনীয়া, শ্রমিক লীগের আজিজুল হক খোকন, জুয়েল আহমেদ, লস্কর জুয়েল প্রমুখ। এ কর্মসূচিতে বস্টন, ওয়াশিংটন, শিকাগো, আটলান্টা ,ক্যালিফনির জর্জিয়া থেকেও এসেছিলেন নেতাকর্মী অংশ নেন এই শান্তি সমবেশে।

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগ, মহিলা আওয়ামীলীগ, শ্রমিকলীগ ও ছাত্রলীগের শতাধিক নেতাকর্মী যোগনেতাকর্মী অংশ নেন এই শান্তি সমবেশে ।

২২ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্ক থেকে সকালে ভার্জিনিয়ার উদ্দেশে রওয়ানা হন। সেখানে ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরিবারের সঙ্গে এক সপ্তাহ কাটিয়ে ২৯ সেপ্টেম্বর দেশের উদ্দেশে রওয়ানা হবেন।

২৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন। পরিবারের সঙ্গে ঘরোয়া পরিবেশে তিনি দিনটি কাটাবেন বলে জানা গেছে।

ছবি নিহার,কল্লোল ও জয়।

Print Friendly, PDF & Email

Comments are closed.