khabor.com, KHABOR.COM, khabor, news, bangladesh, shongbad, খবর, সংবাদ, বাংলাদেশ, বার্তা, বাংলা

চীন ও ভারত বাংলাদেশের পাশে থাকবে: পররাষ্ট্র সচিব

0 12

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে থাকবে দুই প্রভাবশালী প্রতিবেশী দেশ চীন ও ভারত। মিয়ানমারের রাখাইনে গণহত্যা চলছে, একথা সমর্থন করে দেশ দু’টি।

সোমবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় এশিয় দেশগুলোর কূটনীতিকদের ব্রিফিং শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান পররাষ্ট্র সচিব শীহদুল হক।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা নিয়ে সংকটের সময় ভ্রাতৃপ্রতিম রাষ্ট্র ভারত ও চীন বাংলাদেশের পাশে থাকবে। যেমন আগেও ছিল। আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোও বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা শরণার্থীর চাপে সৃষ্ট মানবিক বিপর্যয়ে জরুরি সহায়তা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

ব্রিফিংএ অংশ নেন আসিয়নভুক্ত দেশ, দক্ষিণ এশিয়ার দেশ এবং এশিয়ার অন্যান্য দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও মিশন প্রধানরা। দেশগুলো হচ্ছে, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, মালদ্বীপ, নেপাল, ভূটান, আফগানিস্তান, জাপান, চীন, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ব্রুনেই। তাদের ব্রিফ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ও পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হকসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

পররাষ্ট্র সচিব সাংবাদিকদের জানান, ‘সঙ্গত কারণেই মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে এ ব্রিফিংএ আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।’ তিনি আরও জানান, ঢাকায় কর্মরত সব দেশের কূটনীতিকদের বুধবার কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প দেখতে নিয়ে যাওয়া হবে।

পররাষ্ট্র সচিব জানান, আসিয়ান বাংলাদেশে অবস্থান করা রোাহিঙ্গা শরনার্থীদের খাদ্য, চিকিত্সাসহ অন্যান্য মানবিক সহায়তা দিয়ে চাপ মোকাবেলায় অংশীদার হওয়ার কথা জানিয়েছে। রোহিঙ্গা শরনার্থীদের চাপে কি ধরনের মানবিক বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়েছে তা কূটনীতিকদের কাছে তা তুলে ধরা হয়েছে। রাখাইন রাজ্যে গণহত্যার ফলেই বাংলাদেশে এমন মানবিক বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়েছে বলে উপস্থিত কূটনীতিকরাই মত দেন।

তিনি আরও বলেন, ভারত ও চীন ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ। নতুন করে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা শরনার্থীর চাপ কাঁধে এসে পড়ায় বাংলাদেশের এমন দুঃসময়ে ভারত ও চীন বাংলাদেশের পাশে থাকবে, আগেও যেমন ছিল। রাখাইনে গণহত্যা চলছে, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত ভারত ও চীন এই মত সমর্থন করে। আন্তর্জাতিক চাপের পরিপ্রেক্ষিতে মিয়ানমারের অবস্থান এখন পর্যন্ত মিয়ানমারের কাছ থেকে কোন সাড়া পাওয় যায়নি।

আর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মিয়ামারের ভেতরে সেফ জোন প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে বাংলাদেশের প্রস্তাব নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনা হচ্ছে। কূটনীতিকরা এক বাক্যে কফি আনান কমিশনের সুপারিশ পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের পক্ষে মত দেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কফি আনান কমিশনের রিপোর্টের দ্রুত পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করতে হবে।

Print Friendly, PDF & Email

Leave A Reply


Hit Counter provided by shuttle service from lax