khabor.com, KHABOR.COM, khabor, news, bangladesh, shongbad, খবর, সংবাদ, বাংলাদেশ, বার্তা, বাংলা

২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ফাইলেরিয়া মুক্ত রাষ্ট্র হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

42

ঢাকা: ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ফাইলেরিয়া মুক্ত রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি পাবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।তিনি বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে লেপ্রোসি নির্মূলের জাতীয় লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে। কালাজ¦র নির্মূলের ক্ষেত্রে দেশের ৯৮ শতাংশ অঞ্চলে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। ফাইলেরিয়াও দেশের সব কয়টি জেলা থেকে নির্মূলে সরকার সক্ষম হবে।স্বাস্থ্যমন্ত্রী আজ মঙ্গলবার ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় ‘দক্ষিণ-পূর্ব এশিয় অঞ্চলে ট্রপিক্যাল রোগ নির্মূল : প্রতিশ্রুতি রক্ষা’ বিষয়ক বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সিয়ারো অঞ্চলের দেশ সমূহের স্বাস্থ্য মন্ত্রীদের সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে সহ-সভাপতির বক্তৃতায় বাংলাদেশের এই সাফল্য তুলে ধরেন। ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।ইন্দোনেশিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিলা মোলয়েক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। এর আগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয় অঞ্চলের পরিচালক ড. পুনম ক্ষেত্রপাল সিং সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের ট্রপিক্যাল রোগ নির্মূলের লক্ষ্যে দেশসমূহের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির উপরে গুরুতারোপ করে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, তৃণমূল পর্যায়ের জনগোষ্ঠীর মধ্যে রোগ সনাক্তকরণ কর্মসূচি পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে সমগ্র দেশে তা ছড়িয়ে দিতে হবে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে রোগ নির্মূলের লক্ষ্যে পৌঁছাতে অগ্রগতি পর্যালোচনার যথাযথ মনিটরিং নিশ্চিত করতে হবে। রোগের বাহক নিয়ন্ত্রণের জন্যেও এই অঞ্চলে আরো কার্যকরী উদ্যোগ নেওয়ার জন্য তিনি সিয়ারো নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বাস্থ্যখাতে গত কয়েক বছরে বাংলাদেশের সাফল্য বিশ্বব্যাপী উদাহরণ হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছে। নেতৃত্বের প্রজ্ঞা, দূরদর্শিতা, দক্ষ পরিকল্পনা এবং কার্যকর তত্ত্বাবধানই বাংলাদেশের সাফল্য এনে দিয়েছে বলে বিশ্ব নেতারা অভিমত প্রকাশ করেছেন।প্রায় ১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করে বাংলাদেশের গ্রাম পর্যায়ে মৌলিক চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা পর্যায় পর্যন্ত জনগণের জন্য আধুনিক চিকিৎসা নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশের সাফল্যের চিত্র এ সময় তুলে ধরেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে এখাতে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া তিনদিন ব্যাপী সিয়ারো অঞ্চলের স্বাস্থ্যমন্ত্রীদের সম্মেলনে যোগ দিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী রোববার রাতে জাকার্তা যান। আগামী বৃহস্পতিবার তাঁর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email

Comments are closed.